এমন কীর্তিমানকে বারবার টিকিট কে দেয়!‌

এই লোকটি যে কাজে পারদর্শী, সেই যোগ্যতার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি টাকা তুলতে পারেন, এই কারণেই তিনি প্রার্থী। তিনি জানেন, কোথায় নজরানা পৌঁছে দিতে হয়। সেই নজরানা ঠিক জায়গায় ঠিক সময়ে পৌঁছে দিতে পারেন বলেই তিনি বারবার টিকিট পান। তাই মিডিয়ার সামনে বড়জোর মুখ্যমন্ত্রী লোকদেখানো দু–‌এক লাইন বলবেন। এর বেশি কিছু করার ক্ষমতা মুখ্যমন্ত্রীর নেই। তিনি সত্যিই বড় অসহায়।

বিধানসভাকে কোন ছ্যাবলামির স্তরে নামাচ্ছেন?‌

ভাবতে অবাক লাগছে, কাদের হাতে থাকছে এই বিধানসভা!‌ দু’‌জন বিধায়কের শপথকে ঘিরে এমন কলতলার ঝগড়া কি কাম্য?‌ এমন রাজ্যপাল থাকলে এমনই হয়। এমন স্পিকার থাকলে এমনই হয়। এমন বিধায়করা নির্বাচিত হলে এমনই হয়।

ভিভ মানেই এক অলস আভিজাত্য

ক্রিকেটের সম্রাট বলে যদি কেউ থেকে থাকেন, তবে সেটা ভিভ রিচার্ডস। তাঁর থেকে বেশি রান বা সেঞ্চুরি অনেকেই করেছেন। তাঁর থেকেও কম বলে সেঞ্চুরিও অনেকে করেছেন। কিন্তু তাঁদের কাউকেই রিচার্ডসের আশেপাশে বসানো যায় না। ভিভ মানেই কৈশোরের সেই মুগ্ধতা। ভিভ মানেই একটা অলস আভিজাত্য। ভিভ মানেই একটা রাজকীয়তা।

‘‌৩৪ বছর’ এর সূচনা হয়েছিল এই দিনেই

দিনটা অনেকেই ভুলে গেছেন। সেটাই স্বাভাবিক। এই দিনটা তো ধুমধাম করে পালন হয় না। জেলায় জেলায়, ব্লকে ব্লকে উৎসবও হয় না। কিন্তু এমনই একটা দিনে (‌২১ জুন)‌ প্রথমবার শপথ নিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। কথায় কথায় যে ৩৪ বছর, ৩৪ বছর আওড়ানো হয়, তার যাত্রা পথটা শুরু হয়েছিল ৭৭ সালের এই দিনটাতেই।

সূচিতে এত কারচুপি, কারও নজরে এল না!‌

দিনের আলোয় এতবড় একটা কারচুপি হয়ে গেল। কারও নজরে এল না?‌ কারও মনে কোনও প্রশ্ন এল না?‌ কন্ট্রোল সি আর কন্ট্রোল ভি–‌র এই বিস্তার মগজকে কতখানি ভোঁতা করে দিচ্ছে, আরও একবার বোঝা গেল।

এমন ভ্রমণপ্রিয় জাতি আর কটা আছে!‌

কিন্তু মুশকিলটা হল ট্রেনের টিকিট। চার মাস আগে থেকে টিকিট কাটা যায়। কিন্তু এত এত ট্রেন থাকার পরেও থিম সং সেই ‘‌ঠাঁই নাই, ঠাঁই নেই।’ টিকিটের আশায়‌ ভোর থেকে লাইন দেওয়া। কিন্তু কাউন্টার খুলতে না খুলতেই শেষ। চার মাস আগে টিকিট কাটবেন, তাও কনফার্ম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। ষষ্ঠীর দিনে পাওয়া যায়নি!‌ বেশ, না হয় সপ্তমীর দিনই বেরোনো যাক। নাহ, তাও ঠাঁই নেই। রাতের ট্রেনে না হয় নেই। দিনের ট্রেনেই না হয় যাওয়া যাবে। সারাদিনটা না হয় ট্রেনেই কাটবে। সে গুড়েও বালি।

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। হেমন্ত সংখ্যা

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধাঞ্জলি। প্রায় পঞ্চাশ পাতার ই–‌ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তি শিল্পীর জীবনের নানা দিককে তুলে ধরার চেষ্টা। সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের ফল সংক্রান্ত বিশ্লেষণ।

ভারতে রাত আটটা বাজলেই হল!‌ এর নাম বিশ্বকাপ!‌

নৈশালোকের ব্যবস্থা হল না কেন?‌ আপনার, আমার মতো আম ভারতীয়দের জন্যই। আমরা যেন রাত আটটায় খেলা দেখতে পারি, সেইজন্য। আমরা রাত আটটায় দেখতে চাইলে ওখানে সকাল দশটায় শুরু করতে হবে। আর দিনের বেলায় সূর্যের চড়া আলোয় নৈশালোক দরকার নেই। সেই জন্য। এবার বোঝা গেল, খেলা যেখানেই হোক, ভারতে তখন যেন রাত আটটা বাজে।

গণতন্ত্রে সত্যিই সঙ্কট, তাই সৌমিত্ররাও ‘‌পূর্ণ মন্ত্রী’‌ হতে চান

আসলে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদটার কী ওজন, এটা বুঝতে গেলে ন্যূনতম যেটুকু পেটে বিদ্যে থাকা দরকার, তা এই কীর্তিমানের নেই। কারও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কটাক্ষ করা সমীচিন নয়। কিন্তু পনেরো লাখ মানুষের প্রতিনিধির যদি ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞানটুকু না থাকে, তখন আয়না ধরাটাও জরুরি।

রাম যদি থাকেন, উচিত শিক্ষাই দিয়েছেন

এই ঘটনায় একটু হলেও রামের প্রতি বিশ্বাস বাড়ল। রাম যদি সত্যিই থেকে থাকেন, তাহলে তিনি এই বিধর্মীদের উপযুক্ত শিক্ষাই দিয়েছেন। তিনি অন্তত কান মুলে এটুকু শিক্ষা দিতে পেরেছেন, তোরা যা করছিস কর, আমার নাম টেনে আনবি না।