অহঙ্কারের যোগ্য জবাব দিয়েছে অযোধ্যা
এবার যেভাবে রাম মন্দির উদ্বোধন হল, তাতে রামকে নেহাতই গৌণ চরিত্র মনে হয়েছে। এ যেন একজনকে প্রতিষ্ঠা করার মহামঞ্চ। নিজেকে জাহির করা কোন নির্লজ্জ স্তরে পৌঁছোতে পারে এবং মূলস্রোত মিডিয়া কতটা নির্লজ্জ স্তাবকতা করতে পারে, তা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিলাম।
অনিশ্চয়তার গল্প কারা ছড়াচ্ছেন!
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিজেপির আগের সেই দাপট হয়তো কিছুটা কমবে। মোদি যেভাবে কথায় কথায় আমিত্বের ফোয়ারা ছোটাতেন, আপাতত কিছুদিন তা কমবে। কিন্তু আমিত্ব যাঁর রক্তে এভাবে মিশে আছে, তিনি বাকি পাঁচ বছর ‘আমরা’র জয়ধ্বনি দেবেন, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। কদিন গেলেই আবার সেই স্বমহিমায় ফিরবেন।
এমন ভণ্ড প্রধানমন্ত্রী থাকলে এই কীর্তিমানরা সাত লাখ ভোটেই জিতবেন
হ্যাঁ, এই লোকটি সাত লাখ ভোটে জিতবেন না তো কে জিতবেন? এরপরেও এই প্রধানমন্ত্রীকে সাহসী প্রধানমন্ত্রী বলবেন? যাঁরা মোদি মোদি জয়ধ্বনি দেন, যাঁরা এই বাজারেও বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, বুকে হাত রেখে বলুন তো, এমন কাপুরুষ এমন ভণ্ড প্রধানমন্ত্রী আপনি আপনার জীবনে দেখেছেন?
এই হার দলবদলুদের প্রাপ্যই ছিল
সবমিলিয়ে এই তৎকাল দলবদলুদের হারটা জরুরি ছিল। জনতার রায়কে যেভাবে তাঁরা নিলাম করেছেন, এই হারটুকু অন্তত তাঁদের প্রাপ্যই ছিল।
মোদি মোটেই সম্পদ নন, আস্ত বোঝা, বঙ্গ বিজেপি কবে যে বুঝবে!
বাহিনীর সামনে তৃণমূল এই গুন্ডামির সাহস পায় কোত্থেকে?
এত সাহস তারা পায় কোত্থেকে? এটা বিজেপি ভাবুক। দিল্লির যে নেতাদের ওপর তাঁরা ভরসা করেছিলেন, তাঁদের নির্দেশে বছরের পর বছর সিবিআই, ইডি ঘুমিয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘুমিয়ে রইল। এরপরেও এই মোদির নামে জয়ধ্বনি দিতে ইচ্ছে হয়!
বই তো আছে, ফোন কেন?
অনেক পিছিয়ে বামেরা তৃতীয়, এটাই ভবিতব্য
মুর্শিদাবাদে মহম্মদ সেলিম নিশ্চিতভাবেই দারুণ লড়াই করবেন। জিততেও পারেন। নিদেনপক্ষে দ্বিতীয় হবেন।
এর বাইরে আর কোনও বাম প্রার্থীর জেতার সুদূরতম সম্ভাবনাও নেই। এমনকী, দ্বিতীয় হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। লিখতে খারাপ লাগছে। তবু লিখতেই হচ্ছে, বাকি সব আসনেই অনেক পিছিয়ে থেকে তৃতীয় হবে।
