সেটিং নেই, এখন তৃণমূলের লোককেও বিশ্বাস করানো কঠিন
সত্যিই তো, জ্যোতিবাবু বা বুদ্ধবাবুর ক্ষেত্রে এমন প্রশ্ন উঠত না কেন? এমনকী, অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা দিল্লি গেলেও তো এমন প্রশ্ন ওঠে না। মমতা ব্যানার্জি গেলেই এমন প্রশ্ন ওঠে কেন? এটা বরং তৃণমূল নেতৃত্ব ভাবুন।
জেলা ভাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি বাঁকুড়ায়
কীভাবে জেলাভাগের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনকে সংগঠিত করা যায়, তা নিয়েও নানা মত। কেউ কেউ মনে করছেন, সব আন্দোলনকারীকে নিয়ে একটি মঞ্চ করা হোক। আবার কেউ কেউ আলাদা করে আন্দোলনের পক্ষে। কেউ কেউ এই আন্দোলনে রাজনৈতিক রঙ লাগাতে চাইছেন না। মোদ্দা কথা, বিভিন্ন মহলের দাবি, জেলাবাসীর আবেগের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়া হোক।
বেঙ্গল টাইমস।। কিশোর কুমার সংখ্যা।
অলিম্পিকে পদক জিতে চেয়েছিলেন শুধু আইসক্রিম!
অনেক বছর পর। সেই চানু পদক জিতলেন অলিম্পিকে। রীতিমতো সেলিব্রিটি। গ্রামে ফিরেই অদ্ভুত একটা ইচ্ছে হল চানুর। খুঁজে বের করলেন সেইসব ট্রাকের ড্রাইভার আর হেল্পারদের। যাঁরা দিনের পর দিন চানুকে পৌঁছে দিয়েছেন ইম্ফলে। নিজের বাড়িতে সবাইকে ডাকলেন। একদিন হইহই করে তাঁদের সঙ্গেই কাটালেন। বিভিন্ন জায়গায় পুরস্কার, সংবর্ধনায় যে টাকা উঠে এসেছে, সেখান থেকে বিরাট অঙ্কের টাকা তুলে দিলেন সেই ট্রাক ড্রাইভার আর হেল্পারদের হাতে।
জালি পিএইচডি–র কথা জানতেন না! তখন নীরব ছিলেন কেন?
কোনওটাই খুব গোপন তথ্য নয়। শিক্ষাজগতের সঙ্গে যুক্ত প্রায় সকলেই জানেন। কই, এটা নিয়ে তো কাউকেই তেমন ধিক্কার দিতে দেখা যায়নি। দিনের পর দিন বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে, হোর্ডিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী নিজেকে ডক্টরেট বলে পরিচয় দিয়ে এসেছেন। কাউকেই তো তেমন সোচ্চার হতে দেখা যায়নি। মিডিয়াও তো সেভাবে সোচ্চার হয়নি। ডিগ্রির নামে এমন নির্লজ্জ ডাকাতির কথা মুখ্যমন্ত্রী জানতেন না?
লাল সেলাম লেপচা খা
বিস্ময়ের আরও বাকি ছিল। দুর্গম পথে যে জ্যোতিদার কণ্ঠে বাক্যালঙ্কারের লাইভ কমেন্ট্রি শুনছিলাম, সেই জ্যোতিদার কণ্ঠে মুগ্ধতার কবিতা! লেপচা খা, সত্যিই তোমাকে সেলাম। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় একজন মানুষের এমন রূপান্তর ঘটে যায়!
এতই যদি জানতেন, আগে বলেননি কেন?
এখন পার্থ চ্যাটার্জির সমালোচনা করা খুব সোজা। এর জন্য কোনও বাহাদুরি লাগে না। বরং, প্রতিবাদের ধ্বজা উড়িয়ে অন্য কাউকে তুষ্ট করে চলাটা আরও বেশি অন্যায়। পার্থর অপরাধ চেনা যায়, বোঝা যায়। ধিক্কার দেওয়া যায়। কিন্তু এইসব দ্বিচারিদের দেখলে আরও বেশি রাগ হয়। এই সময় এঁদের চিনে নেওয়া আরও বেশি জরুরি।
অনেক ভার বইতে হবে জেরেমিকে
সবাই সব জানেন, তবু মূল আসামিকে বলা হয় ‘মুশকিল আসান’
যে বোকামি পার্থ চ্যাটার্জি করেছেন, সেই আসল পান্ডা এমন বোকামি করার মানুষ নন। তাঁকে বুদ্ধি দেওয়ার জন্য অনেক পেশাদার লোক রয়েছেন। কীভাবে প্রমাণ না রেখে কাজ করতে হয়, সে ব্যাপারে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাছাড়া, প্রমাণ খুঁজে বের করা যাঁদের দায়িত্ব, তাঁরা যদি প্রমাণ লোপাটের দায়িত্ব নিয়ে ফেলেন, তাহলে প্রমাণ থাকবে কীভাবে?
