এতই যদি জানতেন, আগে বলেননি কেন?‌

এখন পার্থ চ্যাটার্জির সমালোচনা করা খুব সোজা। এর জন্য কোনও বাহাদুরি লাগে না। বরং, প্রতিবাদের ধ্বজা উড়িয়ে অন্য কাউকে তুষ্ট করে চলাটা আরও বেশি অন্যায়। পার্থর অপরাধ চেনা যায়, বোঝা যায়। ধিক্কার দেওয়া যায়। কিন্তু এইসব দ্বিচারিদের দেখলে আরও বেশি রাগ হয়। এই সময় এঁদের চিনে নেওয়া আরও বেশি জরুরি।

অনেক ভার বইতে হবে জেরেমিকে

পড়শি রাজ্যের ছোট ভাইয়ের আবদার, দিদি তুমি একেবারে সামনের সারিতে বোসো। তোমাকে দেখলে মনে বাড়তি জোর পাব। দিদি কথা রাখলেন। বসলেন একেবারে সামনের সারিতে। যতবারই ছোট ভাই নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে...

সবাই সব জানেন, তবু মূল আসামিকে বলা হয় ‘‌মুশকিল আসান’‌

যে বোকামি পার্থ চ্যাটার্জি করেছেন, সেই আসল পান্ডা এমন বোকামি করার মানুষ নন। তাঁকে বুদ্ধি দেওয়ার জন্য অনেক পেশাদার লোক রয়েছেন। কীভাবে প্রমাণ না রেখে কাজ করতে হয়, সে ব্যাপারে তিনি সিদ্ধহস্ত। তাছাড়া, প্রমাণ খুঁজে বের করা যাঁদের দায়িত্ব, তাঁরা যদি প্রমাণ লোপাটের দায়িত্ব নিয়ে ফেলেন, তাহলে প্রমাণ থাকবে কীভাবে?‌

বাঙালি পুরীর চারপাশ দেখল, শুধু পুরীটাই দেখল না

পুরী বেড়াতে গেলেই বাঙালি পর্যটক উদয়গিরি, খণ্ডগিরি, কোনারক, চন্দ্রভাগা, চিল্কা— এসব জায়গায় চলে যায়। মাঝখান থেকে পুরীটাই দেখা হয় না। অথচ, পুরীর মধ্যেই কত মন কেড়ে নেওয়ার উপাদান রয়েছে। ফরেনার ঘাটের হদিশ দিলেন সুমিত চক্রবর্তী।