শুরুর দিক অনেকেরই সংশয় ছিল, মমতা ব্যানার্জি কি আদৌ পিকের কথা শুনবেন? মাঝে মাঝে বলে উঠতেই পারেন, ‘তুমি রাজনীতির কী বোঝো? তুমি একটা পঞ্চায়েত ভোটে জিততে পারবে? বড় বড় ডায়লগ দিও না। আমাকে রাজনীতি শেখাতে এসো না।’ সত্যিই এরকম বলেছেন বা বলবেন কিনা জানা নেই। বা, বললেও পিকে কীভাবে কথাগুলো নেবেন, বলা মুশকিল। হয়ত ঠাণ্ডা মাথায় হেঁসে উড়িয়ে দেবেন। হয়ত গায়েই মাখবেন না। এমন কত কথা তাঁকে শুনতে হয়েছে!
কাল সকালে দীপ্তিদিকে ফোন করতে হবে অগত্যা। ও যদি একটু হেল্প করে দেয়, ভাল হয়। দীপ্তিদি অনেক সিনিয়র, একটু মেজাজি, খিটখিটে স্বভাবের। তাকে ঝাড় দেয় প্রায়ই, টেরাব্যাঁকা কথাও শোনায়, তবে তাতে সে কিছু মনে করে না। দীপ্তিদি তার চাইতে পড়াশোনায় অনেক ভাল, কলেজে সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল ওর। বিয়ে করেনি, মা মারা যাবার পর অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করতে গিয়ে আর পিএইচডিটাও কমপ্লিট করতে পারেনি। এই ছোট স্কুলে সত্যি ওকে মানায় না, সেই ক্ষোভ আর জ্বালা থেকেই ওর মেজাজটা ওরকম হয়ে গেছে।