কসবায় ভোট পর্ব শেষ। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় তো চলছে। তাই শতরূপ ঘোষ চষে বেড়াচ্ছেন নানা প্রান্তে। এর মধ্যেই খবর এল, তাঁর করোনা হয়েছে। ঠিক এই সময়ে জাভেদ খান যদি তাঁকে চিঠি লিখতেন! কী হতে পারত সেই চিঠির বয়ান! জাভেদ খানের মন কী বাত জেনে সেই চিঠির খসড়া লিখে ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বরূপ গোস্বামী পাহাড় বলবেন নাকি ছোট ছোট টিলা! দলমা রেঞ্জের দিকে গেলে এমন কত অসংখ্য টিলা দেখা যায়। কোনওটা রুক্ষ, কোনওটা আগাছায় ঢাকা। ট্রেনে যেতে যেতে বা বাসে যেতে যেতে...
যারা কয়লা বা গরু পাচারে যুক্ত, অবশ্যই তাদের শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু তদন্তের নামে বছরের পর যারা ঘুমিয়ে রইল, তাদের সাজা হবে না? আমার তো মনে হয়, আগে এই সিবিআই কর্তাদের বিচার হোক। কার নির্দেশে তারা এতদিন ঘুমিয়ে ছিলেন, কার নির্দেশে আবার জেগে উঠছেন, সেই তদন্ত হওয়াও জরুরি।
ধর্মীয় মেরুকরণই বিজেপির সবথেকে বড় তাস। ছোট থেকে বড়, সব নেতাই ভরসা রাখছেন এই মেরুকরণেই। অঙ্কের বিচারে এই মেরুকরণই হয়ত তাঁদের হারের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ওপেন ফোরামে লিখেছেন সুমন্ত সেন।
কিন্তু তথাকথিত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ও নির্বাচন কমিশনকে কার্যত নীরব থাকতেই দেখা যাচ্ছে। আর তারা নীরব বলেই এই দুর্বৃত্তরা এতখানি সাহস পায়। নির্বাচন কমিশন যদি এমন ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে, তবে আটদফা কেন, আশি দফায় ভোট করেও সন্ত্রাস থামানো যাবে না। কয়েকটা ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিলেই এই গুন্ডামি অনেকটা কমে যেত। কিন্তু তেমন কোনও উদ্যোগই দেখা গেল না। তাই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সত্যিই আমরা হতাশ।
এবার বোঝা গেল, কেন আমি বারবার আসছি? এবার বোঝা গেল, কেন আমি আবার তৃণমূলকেই চাই। চুপি চুপি মন কী বাত জানিয়ে রাখলাম। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, আমার জায়গায় আপনারা থাকলে আপনারা কী করতেন? আমি যেটা করছি, সেটাই করতেন। মোদির আসল মন কী বাত। চুপি চুপি শুনে নিলেন স্বরূপ গোস্বামী।
রক্তিম মিত্র আবার সেই অডিও ফাঁস। আবার বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী। এবার অবশ্য বিরোধী দলের নেতাকে নয়, ফোন করলেন নিজের দলের জেলা সভাপতিকে। তিনিই আবার শীতলকুচির প্রার্থী। তৃণমূল নেত্রী নিজের প্রার্থীকে ফোন...
ময়ূখ নস্কর হরিহর ল্যাপটপ খুলিয়া অফিসের বকেয়া কাজ শেষ করিতেছিল- এমন সময় সর্বজয়া অপুকে লইয়া গিয়া বলিল, ওগো ছেলেটাকে একটু ধরো না?...ধরো দিকি একটু! হরিহর বলে- উঁহু, ওসব গোলমাল এখন...
বিপুল গরিষ্ঠতা সত্ত্বেও অন্যের দল ভাঙাতেই ব্যস্ত ছিল তৃণমূল। বাংলার রাজনীতিতে এই সংস্কৃতি ছিল না। বিজেপিও সেই পথেই হাঁটছে। নিজেদের ওপর ভরসা হারিয়ে তাঁরা তৃণমূলকে ভাঙতেই ব্যস্ত। এই দল ভাঙানোর প্রবণতাই ব্যুমেরাং হয়ে উঠতে পারে। লিখেছেন উত্তম জানা।