যারা কয়লা বা গরু পাচারে যুক্ত, অবশ্যই তাদের শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু তদন্তের নামে বছরের পর যারা ঘুমিয়ে রইল, তাদের সাজা হবে না? আমার তো মনে হয়, আগে এই সিবিআই কর্তাদের বিচার হোক। কার নির্দেশে তারা এতদিন ঘুমিয়ে ছিলেন, কার নির্দেশে আবার জেগে উঠছেন, সেই তদন্ত হওয়াও জরুরি।
ধর্মীয় মেরুকরণই বিজেপির সবথেকে বড় তাস। ছোট থেকে বড়, সব নেতাই ভরসা রাখছেন এই মেরুকরণেই। অঙ্কের বিচারে এই মেরুকরণই হয়ত তাঁদের হারের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ওপেন ফোরামে লিখেছেন সুমন্ত সেন।
কিন্তু তথাকথিত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ও নির্বাচন কমিশনকে কার্যত নীরব থাকতেই দেখা যাচ্ছে। আর তারা নীরব বলেই এই দুর্বৃত্তরা এতখানি সাহস পায়। নির্বাচন কমিশন যদি এমন ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে, তবে আটদফা কেন, আশি দফায় ভোট করেও সন্ত্রাস থামানো যাবে না। কয়েকটা ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিলেই এই গুন্ডামি অনেকটা কমে যেত। কিন্তু তেমন কোনও উদ্যোগই দেখা গেল না। তাই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সত্যিই আমরা হতাশ।