সেই বন্‌ধের রাস্তাতেই ফিরতে হচ্ছে!‌

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ কেউ বন্‌ধ ডাকলেই তেড়েফুঁড়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবেই হোক, বন্‌ধ ব্যর্থ করতে হবে। কাজ হোক বা না হোক, কর্মসংস্কৃতির বিজ্ঞাপন দেখাতেই হবে। একসময় কথায় কথায় বন্‌ধ ডাকা তৃণমূল...

আজ আপনার ডাকে ওরা কেন সাড়া দেবে?‌

এখন তিনি বামেদের ভাল গুণ খুঁজে পাচ্ছেন। তাই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বামেদের পাশে চাইছেন। অথচ, এই বামেদের শেষ করতে কোনও অনৈতিক কাজ করতেও হাত কাঁপেনি। নগ্নভাবে ব্যবহার করেছেন দল ও প্রশাসনকে। এখন হাওয়া বেগতিক বুঝেই সুর বদল। কিন্তু তাঁর এই ডাকে বাম বা কংগ্রেস কেনই বা সাড়া দেবে?‌ লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

ক্যাবের ভাড়ায় লাগাম টানা হোক

ওলাকে নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই। রাতের দিকে তিনগুণ, চারগুণ ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। ইচ্ছে মতো রাইড বাতিল করছে। ওলা–‌উবের ইচ্ছেমতো ভাড়া নেবে, এটা চলতে পারে না। ভাড়ার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত। কোথাও একটা লাগাম পরানো দরকার।

স্বাধিকারভঙ্গ!‌ মানে বোঝেন?‌

যা লেখা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করেই লেখা হয়েছে। সেখানে কোনও বিকৃতি ঘটানো হয়নি। কে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন, সেটাও কি মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন?‌ কোন কাগজ কোন পাতায় ছাপবে, সেটাও মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন?‌
আসলে, পরিষদীয় বিষয় সম্পর্কে ধারনা না থাকলে যা হয়, তাই হচ্ছে।

স্মার্টফোন! এখন থেকেই দূরত্ব বাড়ান

স্মার্টফোন আপনার সবসময়ের সঙ্গী?‌ তাহলে আপনার জন্য অশনি সংকেত। অন্তত মার্কিন গবেষণা তাই বলছে। কী কী সমস্যা হতে পারে, একটু জেনে নিন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

ছেলে–মেয়েকে সাঁতারটা অন্তত শেখান

আটের দশক বা নয়ের দশকেও দশজনের মধ্যে অন্তত সাত–আটজন সাঁতার জানত। গত পনেরো–কুড়ি বছরে ছবিটা যেন একেবারেই বদলে গেছে। স্নান করতে এখন পুকুরে যাওয়ার রেওয়াজটাই কমে গেছে। এখন একশো জন কিশোর বা তরুণের মধ্যে পাঁচজন সাঁতার জানে কিনা সন্দেহ। সমুদ্রে একের পর এক তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা তো আছেই। পাশাপাশি জল সম্পর্কে অদ্ভুত একটা ভীতিও কাজ করছে। ওপেন ফোরামে লিখলেন ধীমান সাহা।।

মিমি-নুসরতের প্রথম ভাষণে প্রশান্তর ছোঁয়া!

মিমি—নুসরতের প্রথম দিনের ভাষণে খুব গুরুগম্ভীর বিষয় তুলে ধরা হয়নি। দেড়, দু মিনিটের মধ্যে এলাকার সমস্যা ও দাবি তুলে ধরার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই বেমানান মনে হয়নি। বিশেষ করে নুসরতের বয়ানে যে দাবি তোলা হয়েছে, দাবিটি নিতান্ত সাধারণ হলেও এলাকাভিত্তিক একটা রিসার্চ আছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে, স্বল্প বাক্যে যা সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এর পেছনে প্রশান্ত-বাহিনীর ছোঁয়া পরিষ্কার।

সেলফিতে আপনাকে বিচ্ছিরি লাগে

সত্যিই কি সেলফি তুললে আপনাকে সুন্দর লাগে?‌ আপনি যতটা সুন্দর, তার থেকে অনেক খারাপ লাগে। এই সহজ সত্যিটা কি আপনাকে কেউ জানিয়েছে?‌ জানায়নি। তাহলে, আপনার ভাল বন্ধুর সত্যিই অভাব। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।

‌রামের নামে এই বর্বরতার শেষ কোথায়?

হিন্দু সংস্কৃতির আরাধ্য দেবতা রামের নামে হিন্দুত্ববাদের এই আগ্রাসনের শেষ কোথায় ? আমরা কি সত্যিই বুঝতে পারছি যে, আমরা ‘‌রামরাজ্যের’‌ নামে এক বধ্যভূমিতে বাস করছি ? লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েই আছেন শম্পা

জোর জল্পনা, বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বাঁকুড়ার বিধায়ক শম্পা দরিপা। লোকসভায় তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে, এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। পুরসভার চেয়ারম্যান করার আশ্বাসও নাকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দলনেত্রী কথা না রাখায় অভিমানী শম্পা যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে।