ন্যাওড়ার জঙ্গলে আবার বাঘ
আবার সেই ন্যাওড়াভ্যালির জঙ্গল। আবার ক্যামেরায় ধরা পড়ল বাঘ। শীতের সময় দেখা মিলছে, বাকি সময় কোথায় থাকে? একই বাঘ নাকি অন্য বাঘ? এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
আবার সেই ন্যাওড়াভ্যালির জঙ্গল। আবার ক্যামেরায় ধরা পড়ল বাঘ। শীতের সময় দেখা মিলছে, বাকি সময় কোথায় থাকে? একই বাঘ নাকি অন্য বাঘ? এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ভারতী ঘোষ সম্পর্কে স্পষ্ট অবস্থান কী? তিনি চূড়ান্ত দুর্নীতিপরায়ণ অফিসার নাকি দারুণ প্রতিবাদী এক অফিসার? এখনই বরং অবস্থান পরিষ্কার করা হোক। বিজেপি নেতারা যদি মনে করেন, ভারতীকে নেওয়া যাবে না, তাহলে সেটা আরও স্পষ্ট করে বলুন।লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
স্বর্গে হাজির পার্থ মুখোপাধ্যায়। চুটিয়ে গল্প করছিলেন উত্তম–সুচিত্রা। তাঁদের সঙ্গে গিয়ে জুটলেন ধন্যি মেয়ের বগলা। জমে উঠল আড্ডা। বেঙ্গল টাইমসে সেই আড্ডাই তুলে ধরলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।।
ভোরে উঠতে হবে বলে বেশি চাপ নেবেন না। রাতে যদি বারবার এটাই ভাবতে থাকেন, তাহলে ঠিকঠাক ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, না উঠলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। নিজেকে হালকা রাখুন।
উত্তরের পাহাড় অশান্ত। এই সুযোগে দক্ষিণের পাহাড় ঘুরে এলে কেমন হয়? হ্যাঁ, পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়। অযোধ্যা আছে, কিন্তু রাম নিয়ে মাতামাতি নেই। এমনই এক সফর। পড়ুন, এই বর্ষায় পারলে ঘুরেও আসুন। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।
আরও এক কোচ বদল। যেন শেষ কটা ম্যাচে কোচ সরালেই মোহনবাগান চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে। সেই চিরাচরিত প্রথা, কোচকে সরিয়ে দাও, নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলো। আমরা সবাই খুব বোদ্ধা, কোথায় স্ট্র্যাটেজির ভুল, আমরা সবাই বুঝি, বোঝেন না শুধু সঞ্জয় সেন। সবুজ মেরুণের কোচবদল নিয়ে লিখলেন সোহম সেন।
সাড়ে তিন বছর ধরে সিবিআই কী করল? সব প্রমাণ একে একে লোপাট হল। এখন সিবিআই কাঁদুনি গাইছে। সারদার বিচার পরে হবে। আগে এই সিবিআই বাবুদের বিচার হোক। সারদা বা রোজভ্যালি অন্তত সিবিআইয়ের থেকে ঢের ভাল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
দুই উপনির্বাচনকে যাঁরা অবাধ ও শান্তুপূর্ণ বলেছেন, তাঁদের অবস্থান তখনই পরিষ্কার। ফলাফলের পর তাঁদের বিশ্লেষণের কতটুকু মূল্য আছে? যাদের দূরবীন দিয়ে দেখতে হয়, তাদের নিয়ে এত দুশ্চিন্তা কেন? লিখেছেন সৌম্য সিনহা।