ফরেস্ট বিউটি

ঠিক এক বছর আগে, এই দিনেই চলে গিয়েছিলেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। দেখতে দেখতে একটা বছর পেরিয়ে গেল। গানের কিছু অজানা গল্প নিয়ে ফিরে দেখা প্রয়াত শিল্পীকে। মর্মস্পর্শী লেখা শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

‌ভাগ্যিস হিউ এন সাং দিঘায় আসেননি!‌

ফা হিয়েন বা হিউ এন সাংরা যদি দিঘায় আসতেন?‌ কী হত?‌ নিশ্চিতভাবেই থাকার জায়গা পেতেন না। কেন?‌ দিঘার পর্যটন নিয়ে মজার এক কাহিনি। লিখলেন দেবার্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।।

বনশ্রীর সঙ্গে সেদিন আমরাও কেঁদে ফেলেছিলাম

একবছর আগে, ঠিক এই দিনেই চলে গিয়েছিলেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। সেদিন তাঁকে নিয়ে একটি স্মৃতিচারণধর্মী লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। এক বছর পর সেই লেখা আবার ফিরে এল। পড়ুন একটি অনুষ্ঠানের মর্মস্পর্শী বর্ণনা।

পরমাঃ সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা ছবি

অপর্ণা সেন বললেই মনে হয় সুন্দরী এক নায়িকা। কিন্তু পরিচালক অপর্ণা ? সেইদিকেই আলো ফেলা হল এই প্রতিবেদনে। বিশেষভাবে উঠে এল পরমা-র কথা। যা সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ছবি। এই সুরই উঠে এল স্নেহা বিশ্বাসের লেখায়।

কোথায় হারিয়ে গেলে বনলতা সেন .‌.‌.‌

কে এই বনলতা সেন?‌ জীবনানন্দের চেনা জানা কেউ?‌ নাকি নিছকই কবির কল্পনা?‌ বলা কথার আড়ালে না–‌বলা কি কিছু থেকে গিয়েছিল?‌ কবির জন্মদিনে উত্তর খুঁজলেন শোভন চন্দ।।

দেশ থেকে মুসলিমদের তাড়ালেই কি সব সমস্যা মিটে যাবে?‌

দেশে যেন আর কোনও সমস্যা নেই। মুসলিমরা না থাকলেই যেন আর কোনও সমস্যা থাকবে না। ধর্মনিরপেক্ষতার দেশ ভারতবর্ষে মুসলিমদের “অবাঞ্ছিত” মনে করে তাদের দেশ থেকে বিতাড়ন করলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে ? প্রশ্ন তুললন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

বঞ্চনা আর কিশোর যেন সমার্থক

প্রকৃত সম্মান পেলেন কোথায় ? হিট গানের সংখ্যা তো কারও থেকে কম নয়। ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার তিনি বহুবার পেয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও পুরস্কার বা স্বীকৃতি জোটেনি। তাঁর সমসাময়িক প্রায় সবার নামের আগে ‘পদ্মশ্রী’ বসেছে । পরবর্তী প্রজন্মে তো ঝুড়ি ঝুড়ি পদ্মশ্রী। তিনি কিন্তু বঞ্চিতই। কিশোর কুমারকে নিয়ে অন্যরকম লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।

একা ভিক্টরকে রুখতে এত কাণ্ড!‌

বিকিয়ে যাওয়ার লোকের অভাব নেই। কিন্তু মাথা উঁচু করে লড়াই করার লোকও আছে। একা ভিক্টরকে রুখতেই হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। কীভাবে লড়াই করতে হয়, প্রতিদিন যেন দেখিয়ে দিচ্ছেন। ইতিহাসের পাতায় ভিক্টরদের লড়াইয়ের কথাই লেখা থাকে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

দোষারোপ না আত্মসমালোচনা, কোনটা করবেন, ভেবে নিন

আবার এক বাম বিধায়ক তৃণমূলে। যিনি চলে গেলেন, তাঁকে দোষারোপ করা খুব সহজ। সেই চেনা রাস্তাতেই সবাই হাঁটবেন। দোষারোপটাই তো সহজ, আত্মসমীক্ষা যে অনেক কঠিন ব্যাপার। সামনে আবার একটা আয়না। বাম নেতৃত্ব কি সেই আয়নার সামনে দাঁড়াতে রাজি আছেন?‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

‌তার ছিঁড়ে গেছে কবে

বাংলা ছবির রোমান্টিক জুটি বলতে কাদের বোঝায়? এই প্রশ্নটা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। সবাই একটাই উত্তর দেবেন— উত্তম–সুচিত্রা। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, এমন জুটির কথা কোনও ছবির পোস্টারে বা টাইটেল কার্ডে দেখেছেন কিনা! শুরুর দিকের কয়েকটা ছবিতে হয়ত উত্তম–সুচিত্রা পাবেন। কিন্তু অধিকাংশ ছবিতেই উত্তম–সুচিত্রা পাবেন না।