ঋতব্রত পার্টির গোপন কথা রেকর্ড করেছিল। এই মেয়ে আরেক ধাপ ওপরে। তার অনেক আগেই ঋতব্রতর কাণ্ড কারখানা রেকর্ড করে বসে আছে। ঋত অডিও, এই মেয়ে ভিডিও। এই মেয়েই তার উপযুক্ত পাত্রী হতে পারে। এদিক–ওদিক না খুঁজে এই মেয়েকেই বিয়ে করা উচিত। লিখেছেন রবি কর।
ঋতব্রত সিপিএমের প্রতিনিধি নন। ঋতব্রত ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ প্রজন্মের প্রতিনিধি। যা ঋতব্রত করেছেন, আপনিও কি সারাক্ষণ সেটাই করতে চাইছেন না? আপনার ভেতরেও কি একটা ছদ্ম ঋতব্রত লুকিয়ে নেই? প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন শচীন পাত্র।।
নির্মল ছেত্রি সমতলের সেই ‘অনুপ্রেরণা’ তাহলে পাহাড়েও চলে এল! কয়েক মাস আগেই পাহাড়ে পুর নির্বাচন হয়ে গেল। মিরিকে তৃণমূল জয় পেয়েছিল। কিন্তু বাকি তিনটি পুরসভাতেই শোচনীয় পরাজয়। দার্জিলিংয়ে ৩২ টির...
ফিফার ফতোয়া, দেড় মিনিটের মধ্যে জাতীয় সঙ্গীত শেষ করতে হবে। কিন্তু চিলির জাতীয় সঙ্গীত তার আগে শেষ হল না। ওদের জন্য ছোট্ট করে একটা জাতীয় সঙ্গীত লিখে দিলে কেমন হয়! এই বাংলায় একজন কিন্তু এক্ষুনি লিখে দিতে পারেন।
কাগজে কলমে দেখা যাবে, দর্শক পঞ্চাশ হাজার। কিন্তু মাঠ ফাঁকা। এমনটাই হতে চলেছে যুব বিশ্বকাপে। কীভাবে?
পোস্টারে ছবি নেই। এই কারণে দুই বিখ্যাত অভিনেতা দুই পরিচালকের সঙ্গে আর কাজ করেননি। সেখানে প্রসেনজিৎ একেবারেই অন্যরকম। ককপিট না দেখলে বোঝাই যাবে না, এতে প্রসেনজিৎ আছেন। নিজেকে আড়ালে রাখতে জানেন। যেটা বাকিরা জানেন না। লিখেছেন স্নেহা বিশ্বাস।।
আই এফ এ খুব খারাপ, তাই মোহনবাগান নাকি বিহারে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করবে। ভাল কথা। ফেডারেশন খুব খারাপ। তাহলে নেপালে বা বাংলাদেশে গেলে কেমন হয়! এত চিঠি লিখলেও ফিফা পাত্তা দেয় না। মঙ্গল গ্রহে গিয়ে মঙ্গল–লিগে একা একাই চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায়। পুজোর পর স্বমহিমায় নন্দ ঘোষ। তাঁর টার্গেট মোহন কর্তারা।
অধীর বিজেপিতে যাবেন? এখনই তেমন সম্ভাবনা নেই। উপনির্বাচনে ফের জিতে আসা বেশ কঠিন। আর একবার হারলে হয়ত চিরতরেই হারিয়ে যাবেন। যদি আগামী দিনে যান, মোহভঙ্গ হতেও সময় লাগবে না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
হঠাৎ দেখা হয়ে গেল এক আদিবাসী কাকার সঙ্গে। যেন আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই মানুষটির কথা।