সাহিত্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ডিলিট! কে প্রস্তাব করলেন? এস এস সি–র চেয়ারম্যান। কে সবার আগে সমর্থন করলেন? সি এস সি–র চেয়ারম্যান। নিয়মের তোয়াক্কা না করে কে আগাম ঘোষণা করে দিলেন? কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। মমতাকে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করার আগে ভেবে নিন, এই তিনটি প্রতিষ্ঠান কাদের হাতে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত কতটা সুরক্ষিত! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
আমরা পাহাড় নিয়ে যতটা ওয়াকিবহাল, ডুয়ার্স নিয়ে ততটাই যেন উদাসীন। সব হোটেল, লজ ভেঙে ফেলতে হবে। এমন রায়ের কথা অধিকাংশ পর্যটক জানেনই না। মিডিয়ারও কোনও মাথাব্যথা নেই। তাঁদের যত চিন্তা, দার্জিলিংকে নিয়েই। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
মাত্র দুদিনের নোটিশে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল! আয়োজন কেমন হবে, টিকিট নিয়ে সমস্যা হবে কিনা, সে পরের প্রশ্ন। অন্তত চ্যালেঞ্জটা যে নিয়েছে, এটাই বা কম কী? আর কটা শহর এই চ্যালেঞ্জটা নিতে পারত? লিখেছেন সোহম সেন।।
বেঙ্গল টাইমস।। দীপাবলি সংখ্যা (২০১৭)।।
প্রকাশিত হল বেঙ্গল টাইমসের দীপাবলি বিশেষ সংখ্যা। সাহিত্য, সিনেমা, খেলা, রাজনীতি, ভ্রমণসহ নানা আকর্ষণীয় বিভাগ। ৬২ পাতার ই ম্যাগাজিন। পিডিএফ ফাইলে আপলোড করা আছে। ডাউনলোড করলেই অনায়াসে পড়তে পারবেন। কভারের লিঙ্কে ক্লিক করলেই আপনার সামনে খুলে যাবে নতুন এই সংস্করণ।
ইন্টারভিউয়ের নামে যেন অসভ্যতা। অন্যকে বলতে না দেওয়া। মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া। একা রাজদীপ সরদেশাই নন, অনেকেরই এই ‘সবজান্তা জ্যাঠামশাই’ হওয়ার রোগ আছে। তাঁদের জন্য একেবারে সঠিক বার্তাই দিয়েছেন প্রণব মুখার্জি। লিখেছেন ধীমান সাহা।।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল’ পড়েছেন? সেই যে আফ্রিকার জঙ্গলের মধ্যে একটা হোটেলে গিয়েছিল সন্তু আর কাকাবাবু! ভারতের মধ্যে যদি এমন অভিজ্ঞতা পেতে চান, তাহলে চলে যান বান্ধবগড়ের জঙ্গলে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
তাজমহল নাকি ভারতের কলঙ্ক। তাই পর্যটন মানচিত্রে তার জায়গা হয় না। এরাই আবার দেশপ্রেমের কথা বলেন। কী জানি, এবার হয়ত লালকেল্লাকেও ভেঙে ফেলার দাবি উঠবে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
দিলীপ ঘোষরা কেউ নন। এমনকী শিবপ্রকাশ–বিজয়বর্গীরাও কেউ নন। মুকুল রায়কে বিজেপিতে নেওয়া বা না–নেওয়া এঁদের কারও ইচ্ছের ওপর নির্ভর করে না। কথা হয়েছে অনেক উপরের স্তরে, অনেক আগে। নিশ্চিত না হলে মুকুল দল ছাড়ার ঝুঁকি নিতেন না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
বুড়ো বয়সে সৌমিত্র চাটুজ্জের এ কী ভিমরতি হল! তিনিও কিনা ফেসবুক খুলে বসলেন! এবার তিনিও নিজের ঢাক নিজে পেটাবেন আর লোক হাসাবেন! নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার অতিথি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
সংহিতা বারুই কত তারিখ নিঃশব্দে পেরিয়ে যায়। আমরা জানতেও পারি না। হঠাৎই চোখ আঁটকে গেল সোশাল সাইটের একটি পোস্টে। দিনটা শৈল চক্রবর্তীর মৃত্যুদিন। এই প্রজন্মের কাছে নামটা হয়ত তেমন পরিচিত...