কোনটা দেখাতে নেই, মিডিয়া জানে

ভাবতে ভাল লাগছে, অনেক বিচ্যুতি এলেও বাংলার বেশিরভাগ মিডিয়া এখনও দায়িত্বশীল। কোনটা দেখানো উচিত আর কোনটা উচিত নয়, এই বোধটা এখনও তারা হারিয়ে ফেলেনি। লিখেছেন সাগর সেনগুপ্ত।।

সেদিন বুদ্ধবাবু কিন্তু তেড়ে আসেননি

আজ কেশরীনাথ যা করেছেন, সেদিন গোপালকৃষ্ণ গান্ধী তার থেকে অনেকগুন বেশি করেছিলেন। রাজ্য সরকারকে প্রকাশ্যেই বারবার অপদস্থ করেছিলেন। কিন্তু তখন পাল্টা একটি কথাও বলেননি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আর আজ!‌ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রেস কনফারেন্স করতে হল। তফাতটা বেশ বোঝা যায়। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

সেই ‘‌জ্যাকিদা’কে সবাই ভুলেই গেল!‌

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— আশির দশক। আজকের লেখায় আশির দশকে বাংলা রাজনীতির এক বর্ণময় চরিত্র। এই প্রজন্ম যাঁর কথা সেভাবে জানতেও পারল না। লিখেছেন রাজীব সেনগুপ্ত।।

স্মার্টফোনে মুখ গুঁজে!‌ অন্য কাউকে দায়ী করবেন না

কর্তা–‌গিন্নি দুজনেই স্মার্টফোনের নাগরিক। দুজনে একে অন্যের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন না তো?‌ নিজেদের জীবন থেকে উত্তর খুঁজুন।

সেদিনই বুঝেছিলাম, কেন তিনি সবার অভিভাবক

তরুণ ছাত্রনেতা, বর্তমানে চিত্র পরিচালকের চোখে অশোক ঘোষ। ২ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে প্রকাশিত হয়েছিল লেখাটি। মুম্বই প্রবাসী অরিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই লেখাটি আবার প্রকাশিত হল। পড়ে দেখুন, ভাল লাগবে।

সবাইকে মন্ত্রী, এমপি বানিয়েছেন, নিজে হননি

রাজনীতির বৃত্তেই ছিলেন না। হঠাৎ করেই এসে পড়লেন। কারণ, অশোক ঘোষ। দূর থেকে, কাছ থেকে, দুভাবেই দেখেছেন। সেই মুগ্ধতাই উঠে এল প্রাক্তন বিধায়ক মাণিকলাল আচার্যর অকপট স্মৃতিচারণে। ২ বছর আগের সেই লেখাটি আবার পড়লে ভালই লাগবে।

একবার ‘‌হ্যাঁ’ বললেই ফেলুদা হতে পারতেন সৌরভ‌

তিনি একবার হ্যাঁ বললে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারে হইচই পড়ে যেত। শুধু তাই নয়, হয়ত সারা দেশের ব্রেকিং নিউজ হয়ে যেত।