সম্রাট অশোকের দেশ থেকে ঘুরে আসবেন নাকি ?

ভোপাল থেকে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টা। সম্রাট অশোকের দেশ। ইতিহাস যেন চুপি চুপি অনেক কথা বলতে চাইছে। সাঁচি স্তূপ থেকে ফিরে এসে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন শোভন চন্দ।

রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ?

রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ?‌ তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ?‌ এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।

ফিরে দেখা:‌ আশির দশক

আমাদের অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আশির দশক। সেই সময়ের রাজনীতি, খেলা, সিনেমা, সাহিত্য, প্রেম, আড্ডা, অ্যান্টেনা ঘোরানো দূরদর্শন–‌এমন অনেককিছুকে ছুঁয়ে যাওয়া। বিভিন্ন দশক নিয়েই আলোচনা থাকবে। জুন মাস জুড়ে স্মৃতির সরণিতে আশির দশক। আপনার অনুভূতিও উঠে আসুক।

বাঙালি আর পশ্চিমে যায় না

বাঙালি একসময় পশ্চিমে যেত। সেই পশ্চিম মানে পাশ্চাত্য নয়। আশেপাশের শিমুলতলা, মধুপুর, তোপচাঁচি। এখন বাঙালি সেসব ঠিকানা ভুলেই গেছে। মনে করিয়ে দিলেন অভিরূপ কুমার।

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।

বেহালার ছেলেটা

সৌরভ গাঙ্গলিকে নিয়ে লেখা কবিতা বেহালার ছেলেটা। কবি সুবোধ সরকার। এখানে কবিতাটির অংশবিশেষ। পুরো কবিতাটি চাইলে ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শুনতে পারেন। সেই ভিডিও লিঙ্ক দেওয়া হল। নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।...

ঋতুপর্ণকে ‘না’ বলেছিলেন সৌরভ!

সৌরভকে নিয়ে ছবি বানাতে চেয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। সরাসরি সৌরভকে প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাল্টা সৌরভ কী বলেছিলেন?‌ তাই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

উত্তাল পাহাড়ে শান্তি এনেছিলেন জ্যোতি বসুই

৮ জুলাই। জ্যোতি বসুর জন্মদিন। এই সময়ে পাহাড় অশান্ত। আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে।

দলে সৌরভ, বাদ স্নেহাশিস!‌

লর্ডস টেস্টের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু রনজি ফাইনালে সৌরভের অভিষেক কীভাবে হয়েছিল?‌ ভারতীয় ক্রিকেটে এমন চমকপ্রদ ঘটনা কমই আছে। সৌরভ গাঙ্গুলির জন্মদিনে স্মরণীয় সেই অভিষেকের কথা উঠে এল।

ভরসা থাকুক বেলাশেষের আজানে আর শাঁখের সুরে

ভাবতে লজ্জা হয় আজ সোনার বাংলাতেও সেই বিষ ঢুকে গেছে। আর তাকে মদত দিচ্ছে বাংলার সরকার আর কেন্দ্রের সরকার দুই সরকার মিলে। দুজনেরই এক একটি সম্প্রদায়ের প্রতি সীমাহীন পক্ষপাত। আর তার মূলে আজকের বসিরহাট, বাদুড়িয়ার এই শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।