ভুয়ো ডাক্তারের বিরুদ্ধে এত অভিযান। কিন্তু যাঁরা তথাকথিত ডিগ্রিধারী, তাঁদের সম্পর্কেই বোধ হয় বেশি সচেতন থাকা উচিত। ডিগ্রিহীন ডাক্তারদের ডিগ্রি না থাকলেও, তাঁরা ডাক্তারিটা জানেন। আর ডিগ্রিধারীদের ডিগ্রি থাকলেও সবাই কি ডাক্তারিটা জানেন? লিখেছেন তরুণ ভট্টাচার্য।।
অনেকদিন আড়ালে ছিলেন। ২১ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে শঙ্কুদেব পন্ডার কমরেড। হ্যাঁ, এবার তিনি পরিচালক। এতদিনে প্রফেসর শঙ্কু তাহলে বুদ্ধিজীবী হলেন! লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।
শীতে তো অনেকেই বেড়াতে যায়। আপনি বর্ষাতেই বেরিয়ে পড়ুন। কোথায় যাবেন ? কাছেই মুকুট মণিপুর থেকে ঘুরে আসতে পারেন। হদিশ দিলেন তোর্সা চ্যাটার্জি।।
সেই কলমের আজও বিরাম নেই। বিরাম নেই ঘোরাঘুরির। এই বয়সেও যেন পায়ে চাকা লাগানো আছে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের। এবার তিনিই পাচ্ছেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার। পুরস্কার যেন তার সঠিক ঠিকানা খুঁজে নিল। লিখেছেন সংহিতা বারুই।
ভারতের দক্ষিণে তো আছেই। বাংলার দক্ষিণেও আছে সমুদ্র। বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ডে অনেকেরই পা পড়েনি। এই তিন সৈকত নিয়ে পড়ে নিন চমৎকার একটি লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।
বৃষ্টির মাঝে কোথায় যাবেন, ভাবছেন ? বর্ষায় যদি জলের দেশেই যাওয়া যায়, কেমন হয় ? মাঝে লম্বা একটা ছুটি পেরিয়ে গেল। মাইথন আর পাঞ্চেত ঘুরে এসে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সৌর্যজিৎ চৌধুরি।
রাতের কলকাতা শাসন করতেন সুনীল, শক্তিরা। আরও কেউ কেউ আছেন, যাঁরা মাঝরাতে বেরিয়ে পড়তেন। চেনা শহরটাকে দেখতেন অন্য চেহারায়। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে তেমনই তিন বন্ধুর কথা।
একটি পরিবারের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে গিয়েছিলেন মান্না দে? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে তেমন কথাই উঠে এল। লিখেছেন অনন্যা দাস।
স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন কলেজে পড়ছি। হাতখরচ তোলার জন্য টিউশনি পড়াতাম। পাড়াতেই একটি মেয়ে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ত। তার বাড়ির লোক চাইতেন, আমি যেন তাকে টিউশনি পড়াই। রাজি হয়ে গেলাম। সন্ধেবেলায়...
পাহাড় আমাদের বড্ড প্রিয়। শরৎ এলেই মনটা পাহাড়–পাহাড় করে। কিন্তু শীতের দেশে এত হিংসা কেন, এত আগুন কেন? আসুন, এই একটা বছর আমরা বরং পাহাড় থেকে মুখ ফিরিয়েই থাকি। লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।