সোনির মা সমীপেষু
তিনি সোনি নর্ডির মা। তিনি মোহনবাগানেরও মা। সেই মাকে খোলা চিঠি— সোনির মা সমীপেষু। মন ছুঁয়ে যাওয়া এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।
তিনি সোনি নর্ডির মা। তিনি মোহনবাগানেরও মা। সেই মাকে খোলা চিঠি— সোনির মা সমীপেষু। মন ছুঁয়ে যাওয়া এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।
বলা হচ্ছে, ফ্রি ওয়াইফাই নাকি সময়ের দাবি। মোটেই তা নয়। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই দেখেছি, এটি শিক্ষার উপকারে তেমন কাজে আসেনি। আসবেও না। বরং, উল্টো ফলটাই হবে। বিতর্ককে উস্কে দিলেন প্রভাত দাশগুপ্ত।।
পাবলিসিটি পাওয়ার সহজ উপায়, কারও নামে ফতোয়া জারি করে দাও। আলিগড়ের ছোকরার পর এবার কলকাতার এক অর্বাচীন। তাকে ধিক্কার দিতে এত কুণ্ঠা কীসের? শাসক, বিরোধী, বুদ্ধিজীবী–সবাই কী নির্বিকার! সোনু, এ লজ্জা আমাদের সকলের। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
একদিন ঢাল হয়ে মোদির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আদবানি। আজ চমৎকার প্রতিদান পেলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়, কিন্তু আড়ালে কোনও রাজনৈতিক অঙ্ক নেই তো? আসল সত্যি একদিন ঠিক বেরিয়ে আসবে। স্বয়ং আদবানিই হয়ত লিখে যাবেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
নিজে পাঁড় মোহনবাগানি। কিন্তু এমনই পোড়া কপাল, জীবনে যত প্রেমিকা জুটেছে, সবাই ইস্টবেঙ্গল। অবশেষে ঘটি বউ জুটল, কিন্তু তার কাছে মোহনবাগানের থেকে নারকেল বাগান বেশি প্রিয়। প্রেম, জীবন আর ফুটবল। মিলেমিশে দুরন্ত এক লেখা। উপহার দিলেন ময়ূখ নস্কর।।
পাণ্ডব গোয়েন্দা মানেই বাঙালির কাছে অন্য এক নস্টালজিয়া। কীভাবে লেখা হল এই কাহিনী? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে অনেক অজানা কাহিনী জেনে নিলেন সংহিতা বারুই।
বলুন তো, নন্দন বা রবীন্দ্র সদন কে তৈরি করেছেন? কে উদ্বোধন করেছেন? মমতা ব্যানার্জি। কী, চমকে গেলেন? তাহলে একবার ঘুরে আসুন। ফলকগুলো দেখে আসুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন।
যতই ১৩ জনের নামে এফআইআর হোক, এখনও সেই ভরসা অর্জন করতে পারেনি সিবিআই। যেটুকু হয়েছে, তা কোর্টকে দেখানোর জন্যই। যাঁরা উল্লসিত হচ্ছেন, তাঁরা কিছুদিন উল্লাস করুন। তারপর হতাশ হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় কে যাবেন? তা নিয়ে বাংলার নেতাদের বিরোধ নেই। তাঁরা মোটামুটি সীতারাম ইয়েচুরিকেই চাইছেন। যত গাত্রদাহ প্রকাশ কারাতের। লিখেছেন প্রসূন বসু।
আপনার কি মেদ জমছে? কমছে না? নিয়ম করে গ্রিন টি খেয়ে দেখুন। উপকার পেতেও পারেন।