বাংলায় প্রথম মহিলা গোয়েন্দা!‌

সংসারের আটপৌরে কাহিনী লিখে গেছেন। কিন্তু গোয়েন্দা কাহিনীও লিখে গেছেন আশাপূর্ণা দেবী। সেইসব অজানা দিক তুলে আনলেন প্রবীণ প্রকাশক সবিতেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর মুখোমুখি শোভন চন্দ।।

ময়দানের বুড়ি পিসিমা

আগেকার দিনে বুড়ি পিসিমারা কারও সুখ সহ্য করতে পারতেন না। পাড়া, পড়শীদের ঝগড়া লাগিয়ে দিতেন। ইস্টবেঙ্গলের অবস্থা সেইরকম। কীভাবে মোহনবাগানকে আটকানো যায়!‌ তারা আইজলকে পর্যন্ত সমর্থন করে বসল। নিজেদের ক্লাবেই অশান্তি পাকাচ্ছে। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।

রাশি–‌গণের থেকে পাত্রের রাজনৈতিক বিশ্বাস জানাটা জরুরি

একটি বিজ্ঞাপনকে ঘিরে বিতর্ক। কেন বামমনষ্ক পাত্র চাওয়া হয়েছে?‌ রাশি, গণ, গোত্র, জাতের উল্লেখ থাকলে ক্ষতি নেই। রাজনৈতিক বিশ্বাস ও রুচির কথা থাকলেই যত আপত্তি!‌ বিয়ের বিজ্ঞাপন নিয়ে আসুন নতুন করে ভাবি। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

আজ দেখুন রুদ্ধসঙ্গীত

শুরু হয়েছে আগের সপ্তাহে। ব্রাত্য বসুর লেখা ‘‌বোমা’‌ নাটক দিয়ে। দ্বিতীয় রবিবারে কী আকর্ষণ?‌ আজ দেখুন ব্রাত্য বসুরই লেখা আরেকটি নাটক–‌ রুদ্ধসঙ্গীত। এখানেও মুখ্য চরিত্রে সেই দেবশঙ্কর হালদার। সন্ধে ছটায়, কালার্স বাংলায়। তাহলে বসে পড়ুন টিভির সামনে।

মিডিয়া, সংস্কৃতি ও মিডিওক্রেসি

জনপ্রিয় সংস্কৃতির নামে চলছে মধ্যমেধার দাপট। পাবলিক কী ‘‌খাবে’, সেটা নির্ধারণ করে দিচ্ছে কর্রোপেট সংস্কৃতি। তাদের ইশারাতেই চলছে মূলস্রোত মিডিয়া। ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।

চোট পেলে নিশ্চিন্তে যান ডাক্তারবাবুর কাছে

কলকাতার নামী অর্থোপেডিক সার্জেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রচন্ড ক্রীড়াপাগল। তাই ঠিক করেছেন, ছোট ক্লাবের ফুটবলারদের নিখরচায় চিকিৎসা করবেন। এমনই এক চিকিৎসক ডা.‌ ঋত্বিক গাঙ্গুলি। খেলাধুলো নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা জেনে নিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

দার্জিলিংয়ে ধূমপান? সাবধান

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদনঃ আপনি চেইন স্মোকার ? সিগারেট ছাড়া থাকতে পারেন না ? তাহলে আপনার দার্জিলিংয়ে না যাওয়াই ভাল। কারণ, আর দার্জিলিংয়ের রাস্তায় প্রকাশ্যে সিগারেট খেতে পারবেন না। সিকিমে আগেই...

মোহনবাগান কি শুধু ঘটিদের?

মোহনবাগানের অনেক কিংবদন্তিই আছেন, যাঁরা জন্মসূত্রে বাঙাল। এগারোর ঐতিহাসিক শিল্ড জয় থেকে নানা সাফল্যে যাঁদের প্রচুর অবদান। তাই প্রশ্ন ওঠে, মোহনবাগান কি শুধুই ঘটিদের ক্লাব?‌ সেই পুরনো বিতর্ককে উস্কে দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

ট্যাক্সির দৌরাত্ম্য আটকাতে পুলিশের কি কিছুই করার নেই!‌

সন্ধে হলেই রিফিউজ করাটাই যেন ট্যাক্সির নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশই অবাঙালি। নিয়ম মানার কোনও দায় তাঁদের নেই। পুলিশকে তাঁরা পাত্তাই দেন না। ওপেন ফোরামে লিখেছেন মলয় সাহা।