গুলজারের জন্য সুচিত্রার দরজা খোলাই ছিল
ফিরিয়ে দিয়েছিলেন গুলজারকে। তাঁর হাত ধরেই স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে বেরিয়েও আসতে চেয়েছিলেন সুচিত্রা সেন! কেমন ছিল মুম্বইয়ের দিনগুলো? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
ফিরিয়ে দিয়েছিলেন গুলজারকে। তাঁর হাত ধরেই স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে বেরিয়েও আসতে চেয়েছিলেন সুচিত্রা সেন! কেমন ছিল মুম্বইয়ের দিনগুলো? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
তিনি ছিলেন কিংবদন্তি সাংবাদিক। একইসঙ্গে সুচিত্রা সেনের বন্ধু। তিন বছর আগে সুচিত্রা বিদায় নিয়েছেন। তিনিও বিদায় নিলেন গত বছর। কীভাবে আলাপ? তিন বছর আগে সেই স্মৃতিই মেলে ধরেছিলেন বর্ষীয়াণ সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরি।
সিনেমায় গেয়েছিলেন। রেকর্ডও করেছিলেন। সুচিত্রা সেন হঠাৎ গান গাইতে গেলেন কেন? এর পেছনেও রয়েছে দারুণ এক গল্প। অজানা সেই কাহিনী তুলে আনলেন স্বনাম গুপ্ত।।
ধরা যাক, সুচিত্রা সেন ফিরে এলেন। তাঁকে কী কী পরিস্থিতির মুখে পড়তে হত? কী ধরনের ছবি বা সিরিয়াল পেতেন? রাজনৈতিক টানাপোড়েন কেমন হত? মাওবাদিরা কেমন হুমকি চিঠি লিখত? আন্দাজ করলেন ময়ূখ নস্কর।
বদলে গেল ছবির নাম। বাইশ বছরে সুচিত্রাও যে অনেক বদলে গিয়েছিলেন। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।
সুচিত্রা স্বেচ্ছা নির্বাসনে গিয়েছেন অনেক আগেই। হঠাৎ সুযোগ এসে গেল। আবেগে সুচিত্রার হাত ধরে ফেললেন। সাংবাদিক জীবনে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নিয়েও এতখানি রোমাঞ্চিত হননি। একুশ বছর আগের এক্সক্লুসিভ সেই কভারেজের স্মৃতিই দারুণভাবে তুলে আনলেন তুষার প্রধান।
পাশ দিয়ে বয়ে চলেছেন রূপনারায়ণ। একটু দূরেই শরৎচন্দ্রের বাড়ি। সাহিত্যের তীর্থস্থানে পিকনিকের নামে ডিজে আর মাতালদের দাপাদাপি। আজ শরৎচন্দ্রের মৃত্যুদিনে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরী।।
নাটকের মাঝে অসভ্যের মতো বেজে চলেছে মোবাইল। কেউ আবার সারাক্ষণ ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপে মগ্ন। এতই যখন ব্যস্ত, এঁরা নাটক দেখতে আসেন কেন ? বিনীত আবেদন নয়, পরেশ রাওয়ালের ভাষাতেই এঁদের আবেদন জানাতে হবে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।