ফ্রি ওয়াইফাই নয়, বরং মোবাইল নিষিদ্ধ করুন
মদ নিষিদ্ধ হোকঃ ফের ঝড় তুললেন ভিক্টর
বিধানসভায় তিনিই বিরোধীদের অন্যতম মুখ। কিন্তু সেই আলি ইমরান (ভিক্টর) অন্য এক অঙ্গিকার করে বসলেন। বললেন, কৃষ্ণ শিশুপালকে কথা দিয়েছিলেন, একশোটা অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমিও কথা দিচ্ছি, সরকার মদ নিষিদ্ধ করুক, আগামী একবছর বিধানসভায় সরকারের বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমালোচনা করব না। বিধানভায় তাঁর স্মরণীয় বক্তৃতার নির্যাস পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে।
আরও একটা ভুল, আর কত ভুল করবেন?
বাংলায় জোট ছিল। কই, কেরলে ক্ষমতায় আসতে তো সমস্যা হয়নি। বা কেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হয়েছে। বাংলার গ্রামাঞ্চলে বাম-কংগ্রেস একসঙ্গে মিছিল করতে সমস্যা হয়নি। নিচুতলার কর্মীরা বাস্তবতা বোঝেন, বোঝেন না ঠান্ডা ঘরের নেতারা। তাই কর্মীদের মনোভাব বা আবেগ না বুঝেই আরও একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
ন্ঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি
অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।
ফ্রি ওয়াই ফাই! কে বুদ্ধি দিল ভাই?
ফ্রি ওয়াই ফাইয়ের লোভ দেখিয়ে ছাত্রদের কলেজে ডেকে আনতে হবে? শিক্ষার মান এতটা নেমে গেল ? যদিও বা আসে, তাকে ক্লাসে পাঠানো যাবে ? সে তো কমনরুমে বা ক্যান্টিনে বা ফাঁকা গাছের তলায় মনের সুখে ওয়াই ফাইয়ের পরিষেবা নেবে। পার্থবাবুকে অনুরোধ, না বুঝে ঘোষণা করেছেন। এবার আসল সমস্যা বুঝে সেই ঘোষণা প্রত্যাহার করুন। জ্বালাময়ী লেখা লিখেছেন সুজিত দে।
যেখানেই তারুণ্য, সেখানেই সাফল্য, এই সহজ সত্যিটা বুঝলেন?
দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।
পিকে, প্লিজ অমল দত্তর বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসুন
সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
লাল সেলাম লেপচা খা
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
