কমরেড, আপনি কোনদিকে ?

মমতা তালাক চাইছেন, তাই বিরোধীতা করবেন। আবার বিজেপি তালাক তুলে দিতে চাইছে, তারও বিরোধীতা করবেন। দুটো একসঙ্গে চলতে পারে না। কমরেড, তালাক প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করুন। মনে রাখবেন, এই ব্যাপারে মমতার অবস্থান কিন্তু স্পষ্ট। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী ।।

কমরেড, ফিরে চলুন সেই বিকেলে

৬ নভেম্বর, ২০০০। এই দিনেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ষোল বছর পর, সেই দিনে তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

এখন পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যাসাগর

এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।

সবই ‘তাঁর’ ইচ্ছা, বাকি সব নিমিত্তমাত্র

নাইনের সিলেবাস ইউরোপের ইতিহাস। আর ক্লাস টেনে আছে স্বাধীনতা পর্যন্ত। এর মাঝে কোথায় আসবে সিঙ্গুরের কথা ? ১৯৪৭ থেকে বাকি সব বাদ দিয়ে একলাফে সিঙ্গুর ? এমন আজগুবি সিলেবাস মগের মুলুকেও ছিল না। সবই যেন ‘তাঁর’ ইচ্ছা। বাকি সব নিমিত্তমাত্র। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

মহানায়ক, তোমারে সেলাম

মহানায়ক উত্তম কুমারকে নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সংখ্যা। মহানায়ক, তোমারে সেলাম।
নানা আঙ্গিক থেকে আকর্ষণীয় বেশ কিছু লেখা। প্রায় ৬০ পাতার ই ম্যাগাজিন। কীভাবে পড়তে হবে? জানতে ক্লিক করুন।

আসল বন্ধু কে, একদিন ঠিক বুঝবে সিঙ্গুর

সিঙ্গুর এখন আবির খেলুক। মিস্টিমুখ করুক। বিজয়োৎসব করুক। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝতে পারবেন, কে তাঁদের আসল বন্ধু ছিল। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে খোলা চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

আর কোনও ভোকাল টনিকে তাঁর ঘুম ভাঙবে না

ইউরো ফাইনালের রাত। বিষণ্ণ কলকাতা। যিনি ইউরোপের ফুটবলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন, এমন দিনে তিনি নেই! বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য চির-লড়াকু কোচকে। কয়েকদিন আগে প্রকাশিত একটি লেখা ফের ছাপা হল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বরূপ গোস্বামী ।।

যেখানেই তারুণ্য, সেখানেই সাফল্য, এই সহজ সত্যিটা বুঝলেন?

দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।

পিকে, প্লিজ অমল দত্তর বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসুন

সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

লাল সেলাম লেপচা খা

দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।