এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
স্বরূপ গোস্বামী নরেশবাবু পড়েছেন মহা সমস্যায়। এই বয়সে এসে যে এমন সমস্যায় পড়তে হবে, সত্যিই ভাবেননি। ভাববেনই বা কী করে! এমন বেআক্কেলে প্রতিবেশী জুটে যাবে, কে জানত! ...
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
( আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। ঠিক ৪ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না। )
এক সময় সবাই বুঝতে পারবেন, ছবিটি কারা বানিয়েছেন, কী উদ্দেশে বানিয়েছেন। তাই অযথা পাবলিসিটি দেওয়ার মানেই হয় না। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া নয়। উপেক্ষাই সেরা রাস্তা। এই সার সত্যিটা দ্রুত বুঝতে পেরেছেন রাহুল গান্ধী। বোঝালেন, তিনি অন্তত প্রধানমন্ত্রীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্বশীল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
গেছেন লন্ডনে ধারাভাষ্য দিতে। ডাক পেয়েছেন এমসিসি–র মিটিয়ে। সেই মিটিং থেকে সেলফি তুলে খাঁচিয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকেও কিনা সেলফি তুলে নিজের ঢাক পেটাতে হচ্ছে! বাংলার মহারাজের জন্য এবার কলম ধরলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
উপন্যাস স্বরূপ গোস্বামী রাজস্থানে পৌঁছেই ফেলুদা বলেছিল, নিশ্চিন্তে আর থাকা গেল না রে তোপসে। কেউই বোধ হয় নিশ্চিন্ত নয়। আমাদের এই নির্জন সরকারও নয়। এ লাইনে কম্পিটিশন খুব বেড়ে গেছে।...
পাহাড়ের গোপন ডেরা থেকে হুঙ্কার ছেড়েই চলেছেন বিমল গুরুং। ধরা যাক, তিনি বিনয় তামাংকে বার্তা দিতে চান। চিঠি লিখতে চান। কী লিখতেন সেই চিঠিতে। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। বিমলের বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
হুঙ্কার দেওয়ার জন্য, ফতোয়া দেওয়ার জন্য, দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার জন্য আবার বেছে নেওয়া হল কলকাতা প্রেস ক্লাবকে। এইসব লোককে হল ভাড়া না দিলেই নয়? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।