নঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

কয়েকদিন আগের কথা। অমল দত্ত তখন গুরুতর অসুস্থ। সেই সময়েই মোহনবাগান রত্ন হিসেবে ঘোষণা হয় সৈয়দ নঈমুদ্দিনের নাম। নঈমের বয়ানে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রকে সুন্দর চিঠি লিখেছিলেন ময়ূখ নস্কর। দাবি ছিল, আমাকে নয়, এবার মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হোক অমল দত্তকে। সেই লেখা আবার প্রকাশ করা হল। যাঁরা তখন পড়েননি, তাঁরা এখন অবশ্যই পড়ুন।

মুখুজ্যের সঙ্গে আলাপ

ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন পদাতিক কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে তেরো বছর হয়ে গেল। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। পড়ুন, ভাল লাগবে।

ন্ঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।

বড়ন্তি ডাকে

ময়ূখ নস্কর কে ডাকছে আমাকে? ঠুক-ঠুক-ঠুক। দরজায় টোকা পড়ছে খুব আস্তে আস্তে। ঠুক-ঠুক-ঠুক। নিখিলবাবু নাকি? এত রাতে? নাকি রাত শেষ হয়ে গেল? কটা বাজে এখন? নিখিলবাবুকে বলেছিলাম, সূর্য ওঠার আগেই...

হাঁসুলি বাঁকের নাট্যরূপঃ মুগ্ধতায় হাততালি দিতে ভুলে যান দর্শক

ময়ূখ নস্কর হাঁসুলি বাঁকের উপকথা নিয়ে সিনেমা করেছিলেন তপন সিনহা। সেখানে করালির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন দিলীপ রায়। এক সিনিয়র সাংবাদিকের মুখে শুনেছি, সেই অভিনয় দেখে স্বয়ং তারাশঙ্কর বলেছিলেন, “আমার করালি-টা...

মুখুজ্যের সঙ্গে আলাপ

অনেকেই জানেন, আজ জ্যোতি বসুর জন্মদিন। অনেকের কাছে সৌরভ গাঙ্গুলিরও জন্মদিন। তার আড়ালে রয়ে গেছে একটি মৃত্যুদিন। এই দিনেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন পদাতিক কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। চোদ্দ বছর আগের এক বিকেলে কবির বাড়ি যাওয়ার সেই স্মৃতি তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর।