বেঙ্গল টাইমস। ই–ম্যাগাজিন। ১০ জুলাই সংখ্যা
জ্যোতি বসুর স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তিকে দেখার চেষ্টা। ৪০ পাতার পিডিএফ। সঙ্গে ওয়েবলিঙ্ক।
জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো
কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।
ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।
একটি পেরেকের কাহিনী
লিখে রাখলেই স্মৃতি থেকে হারিয়ে যাবে
একবার একটা সেমিনারে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, যতরকম ভ্রমণ কাহিনী পড়েছি, তার মধ্যে সেরা হল সৈয়দ মুজতাবা আলির দেশে বিদেশে। শুধু বাংলা ভাষা নয়, পৃথিবীর কোনও ভাষায় এই ধরনের বই লেখা হয়েছে বলে মনে হয় না। কিন্তু বাঙালিরা এই বইটি সেভাবে পড়েই দেখল না।
আড়াল থেকে চিরআড়ালে
পঁচিশে বৈশাখ এলে বাঙালিকে আর পায় কে!
সিলেবাসের বাইরে গিয়ে একটা ছোট গল্প পড়েছেন! প্রবন্ধ, চিঠিপত্র— এগুলো তো বাদই দিলাম। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তবচিত্র। হয়তো, সেই আক্ষেপ নিয়েই রবি ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলে থাকি।’ হ্যাঁ, আমরাও রবীন্দ্র পূজার ছলে তাঁকে ভুলেই থাকি।
রবি ঠাকুরের বউদিকে নিয়ে বাঙালির আগ্রহের শেষ নেই
তখন পাড়ায় পাড়ায় রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা হত। এমনই একটি অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ নিয়ে বক্তব্য রেখেছিলুম। পরদিন সকালে পাড়ার এক কাকিমা বললেন, এত কথা বললি, কিন্তু এটা তো বললি না যে রবীন্দ্রনাথ শালীকে বিয়ে করেছিল? বরাবরই দেখেছি, রবীন্দ্রনাথের অন্য কিছুতে আমাদের আগ্রহ না থাকুক, বউ আর বউদিকে নিয়ে আমাদের প্রবল আগ্রহ।
