‌বিভূতিভূষণের গল্পে অন্য এক ভারতবর্ষ

চেনা মানুষের এত বিচিত্র জীবন, কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়নি। সত্য কখনও কখনও কল্পনার থেকেও বিচিত্র হয়ে থাকে। তার লেখায় সেই বিস্ময় খুঁজে পাই। সারা জীবনের অর্জিত অভিজ্ঞতা ধরা দিয়েছে নানা চরিত্রের ভিড়ে। তাই গল্পের মধ্যেই ধরা দেয় অন্য এক ভারতবর্ষ। যে ভারতবর্ষকে আমরা হয়তো সেভাবে চিনিনি। ‌

বসার ঘরে পুজো সংখ্যা কই!‌

‌একটা সময় ছিল, যখন বাঙালির ঘরে ঘরে দেখা যেত পুজো সংখ্যা। বাঙালি যেমন পুজোয় নতুন জামাকাপড় কিনত, তেমনই কিনত পুজো সংখ্যা। এবার পুজো অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। বেশ কয়েকটি পুজো সংখ্যা...

রোজ সাদা পাতার সামনে বোসো

অনুজ কবি, সাহিত্যিকদের বলতেন, রোজ একটা সময় বেছে নাও। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সাদা পাতার সামনে বোসো। হয়ত কোনও লেখাই এল না। বা যেটা লিখলে, সেটা একেবারেই পছন্দ হল না। হয়ত নিজে লিখে নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলে। তবু, দিনের একটা সময় অন্তত সাদা পাতার সামনে বোসো। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, লেখাও একটা সাধনা। লিখতে বসলেই মাথায় ভাবনা ঠিক এসে যাবে। কলম বেয়ে ঠিক নেমে আসবে।

ফিরে এসো, চিঠি

চিঠির জন্য আলাদা একটা দিন আছে। পয়লা সেপ্টেম্বর। যেহেতু চিঠি লেখা হারিয়ে গেছে, তাই দিনটা নিয়েও তেমন হইচই নেই। চিঠি দিবসে চিঠির সেকাল–‌একাল নিয়েই আস্ত একটা লেখা। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বেঙ্গল টাইমস। ই–‌ম্যাগাজিন। ১ সেপ্টেম্বর সংখ্যা

শারদ সংকলনের আগেই বিশেষ উপহার। নানা আকর্ষণীয় বিষয় নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের ই–‌ম্যাগাজিন। ১ সেপ্টেম্বর সংখ্যা।

কবিতা:‌ তিলোত্তমা

‌তিলোত্তমা স্নেহা সেন আজকে যেটা ঘটছে কালকে সেটা বাসি ব্রেকিং নিউজ, শিরোনাম বলবে এবার আসি। বেশিদিন পুরনো নয়, একটা বছর আগে এই বাংলার আকাশ–‌বাতাস ফুঁসছিল যে রাগে। বিচার চেয়ে রাজপথে...

আপনার বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়!‌

খোঁজ নিয়ে দেখুন তো, আপনার কজন পরিচিত লোকের বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়, তাহলেই বুঝতে পারবেন। আসলে, আমরা টানা দশ পাতা পড়ার মতো ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছি। আর এই সহজ সত্যিটা এখনও বুঝে উঠতেই পারিনি।

ডিম রবে নিষ্ফলের, হতাশের দলে

অন্তরা চৌধুরি আচ্ছা ডিম খেতে কে না ভালবাসে বলুন তো? এককথায় উত্তরটা হল সাত থেকে সাতানব্বই সকলেই ভালবাসে। কিন্তু বাঙালি সেকথা কিছুতেই স্বীকার করবে না। কারণ, ডিমের মধ্যে নাকি কোনও...

আগে উত্তমের ছবি, সেখান থেকে হিন্দি ছবি

হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।