শীত ফুরোনোর আগেই ঘুরে আসুন শিমুলতলায়

দাদার কীর্তির শুটিং হয়েছিল কোথায় ? ঠিক ধরেছেন, শিমূলতলায়। একসময় এই শিমূলতলাই ছিল বাঙালির কাছে ‘পশ্চিম’। হাওয়া বদল করতে ভিড় জমাতেন অনেকে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে এখনও সে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সেই ডাকে সাড়া দেবেন না ? তার আগে শান্তনু ব্যানার্জির এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।।

অরণ্যের দিনরাত্রি

চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

ছোট্ট স্টেশন, হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি

হয়ত সেখানে যাওয়ার কথাই ছিল না। ফাঁকা এক রেলস্টেশনে হঠাৎ করে নেমে পড়া। পাশ দিয়ে হয়ত বয়ে গেছে নদী। ছোট্ট চালা ঘরে হয়ত চপ–‌ঘুগনির দোকান। নাম না জানা ঠিকানায় আশ্চর্য এক ভ্রমণ। শরতের আলতো রোদে একটা দিন হারিয়ে যাওয়া। এমনই হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছের কথা উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

পাইন বনের মেঘমাখানো চিঠি

আগে যখন গানটা শুনতাম, মনে হত গাঁজাখুরি। খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই। ‘মেঘের উপর দিয়ে হাঁটি’! কিন্তু এখন সত্যি সত্যি আমারও হেঁটে বেড়াতে ইচ্ছে করছে। মেঘের কি আর ঠিকানা আছে! কোথায় উড়ে যাবে, কে জানে! তোমার ঠিকানাও তো জানি না। তবু চিঠি লিখতে বাধা কোথায়! যেমনভাবে লিখি, পৌঁছয় না, তবু লিখি।

ছায়া সুনিবিড় কোয়ালপাড়া

জয়রামবাটী বা কামারপুকুরের নাম তো আপনারা সবাই শুনেছেন। বেড়াতে যাওয়ার পক্ষে আদর্শ জায়গা। অনেক দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসছেন। কিন্তু জানেন কি কোয়ালপাড়া মঠের কথা?‌ জয়রামবাটী থেকে মাত্র চার...

ভোটাদা,  অযোধ্যার বিস্ময়মানব

বেড়াতে গিয়ে এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা মনের মধ্যে একটা ছাপ ফেলে যান। তেমনই একজন মানুষ ভোটাদা। ঘুরতে যাওয়া অযোধ্যায়। নিছক ঘুরতে নয়, একটা অভিযানই বলা ভাল। ভাগ্যিস ভোটাদা ছিলেন, নইলে কত যে ভোগান্তি হত। এই ভোটাদার মতো মানুষেরা আছেন বলেই এখনও পৃথিবীটা এত সুন্দর। লিখেছেন শান্তনু পাঁজা।

‌ভ্রমণ দেজা ভু মধুজা মুখোপাধ্যায় মহামারীর পর জীবনের হিসেব নিকেষ নিয়ে বসেননি এমন মানুষ এখনও খুঁজে পাইনি। অনিচ্ছাকৃত হলেও মহামারীর আগের জীবনের সঙ্গে পরের জীবনের কেমন যেন তুলনা চলে আসছে...

বরফে শায়িত বুদ্ধ, আমরা সবাই চন্দ্রাহত

বাংলায় বেশ সুন্দর একটা শব্দ আছে — চন্দ্রাহত। সেদিন কোজাগরি পূর্ণিমার ওই রাত্রে সান্দাকফুতে যাঁরা হাজির ছিলেন, তাঁরা সকলেই যেন চন্দ্রাহত হয়ে গিয়েছেন। শায়িত বুদ্ধ যিনি এই বিশাল হিমালয়কে, আকাশের নয় লক্ষ তারাকে, হিমালয়ের কোলে আমাদের সবাইকে রক্ষা করে চলেছেন, তিনি চাঁদের আলোয় আমাদের সামনে শুয়ে আছেন।

আপনার বেড়ানোর গল্প

শীত বা গ্রীষ্ম, বর্ষা বা বসন্ত, প্রায় সব ঋতুতেই বাঙালির মন উড়ু উড়ু। নদী, পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল— সে কোথাও না কোথাও বেরিয়ে পড়তে চায়। বেরিয়ে পড়েও। সবার ঝুলিতেই বেড়ানোর অনেক...

জয়পুরের জঙ্গলে লুকিয়ে আছে আস্ত বিমানবন্দর!‌

অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল, একবার জয়পুরের জঙ্গলে যাব। নানা কারণে যাওয়া হয়ে উঠছিল না। হয়ত এত কাছে বলেই গড়িমসি করছিলাম। শেষপর্যন্ত বেরিয়েই পড়লাম। এমনিতে মোটেই খুব দূরে নয়। বাঁকুড়া থেকে ঘণ্টা দেড়েক। ওন্দা, রামসাগর পেরিয়ে, বিষ্ণুপুর ছুঁয়ে সোজা রাস্তা ধরে গেলেই হবে। বিষ্ণুপুর পেরিয়েই পাবেন মস্ত এক জঙ্গল। দিনের বেলায় তেমন আহামরি মনে হবে না। কিন্তু রাতের বেলায় গা ছমছম করতেই পারে।