অযোধ্যা পাহাড় এবং আমরা তিনজন
উত্তরের পাহাড় অশান্ত। এই সুযোগে দক্ষিণের পাহাড় ঘুরে এলে কেমন হয়? হ্যাঁ, পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়। অযোধ্যা আছে, কিন্তু রাম নিয়ে মাতামাতি নেই। এমনই এক সফর। পড়ুন, এই বর্ষায় পারলে ঘুরেও আসুন। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।
উত্তরের পাহাড় অশান্ত। এই সুযোগে দক্ষিণের পাহাড় ঘুরে এলে কেমন হয়? হ্যাঁ, পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়। অযোধ্যা আছে, কিন্তু রাম নিয়ে মাতামাতি নেই। এমনই এক সফর। পড়ুন, এই বর্ষায় পারলে ঘুরেও আসুন। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।
এত ভাল লেগেছিল, জমিই কিনে ফেলেছিলেন মহানায়ক। দিগন্তজুড়ে নীল জলাশয়। ওপারেই সবুজ পাহাড়। বেশি দূরে নয়, কাছেই আছে তোপচাঁচি। চাইলে ঘুরে আসতে পারেন। লিখেছেন অভিরূপ কুমার।
অনেকেই হয়ত ট্যুর অপারেটর হতে চান। পর্যটন ব্যবসায় নামতে চান। ভাল–মন্দ দুটো দিকই জেনে রাখা দরকার। একটা ছবি দেখতে পারেন, ধারণাটা কিছুটা পরিষ্কার হবে।
মহম্মদ আলতাফ। প্রতিবছর শাল নিয়ে আসেন কাশ্মীর থেকে। জড়িয়ে গেছেন কলকাতার সুখ দুঃখের সঙ্গেও। শীতের কলকাতায় তিনিও এক অতিথি। সেই জীবনযাপন ও অনুভূতি উঠে এল স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে। তাঁর বকলমে সেই চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
ছৌ নাচের কথা কে না জানেন! কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–মুখোশ? অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।
হাতির সঙ্গে মোটেও পাঙ্গা নেবেন না। হাতিকে হাতির মতো থাকতে দিন। সে ক্ষেপে গেলে আর রক্ষে নেই। সে উসান বোল্টের থেকেও জোরে দৌড়তে পারে। চিতাবাঘ পালাতে পারল না, আর আপনি–আমি তো কোন ছার! লিখেছেন রজত বসু।।
একটু একটু করে ছন্দে ফিরছে পাহাড়। শীতের আমেজে বাঙালি আবার পাহাড়মুখী। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি সেই দার্জিলিংকে ঘিরে। তাই নিয়েই সন্দীপ লায়েকের লেখা দার্জিলিং ম্যানিয়াক। প্রথম কিস্তি অনেকে পড়েছেন। আজ দ্বিতীয় কিস্তি। লেখার নিচে প্রথম কিস্তির লিঙ্কও পেয়ে যাবেন।
একটু একটু করে ছন্দে ফিরছে পাহাড়। শীতের আমেজে বাঙালি আবার পাহাড়মুখী। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি সেই দার্জিলিংকে ঘিরে। তাই নিয়েই সন্দীপ লায়েকের লেখা দার্জিলিং ম্যানিয়াক। আজ প্রথম কিস্তি। দ্বিতীয় কিস্তি রবিবার।
শীতের অলস রোদ গায়ে মেখে নীল নির্জনে কয়েকটা দিন। খুব দূরে নয়, কাছেই মুকুটমণিপুরে। ব্যস্ততা ভুলে নিখাদ হারিয়ে যাওয়া। আড্ডা, খুনসুটি মাখানো সেই সফর। উঠে এল সন্দীপ লায়েকের কিবোর্ডে।
বেঙ্গল টাইমসে জমজমাট অণু গল্পের আসর। গল্পও আছে, আবার বেড়ানোর আমেজও আছে। একদিকে শিলং–চেরাপুঞ্জি। অন্যদিকে ঝিঙ্গার বাটিচচ্চড়ি। ভাষা বিভ্রাটে অন্য আরও মজাদার। লিখেছেন শর্মিলা চন্দ।