ছিল বাবার গান, হয়ে গেল কিশোরকুমারের

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল?‌ দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন?‌ এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

কিশোর বলেছিলেন, তোমার এক ডাকে হাজির হয়ে যাব

মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে ।।

বেঙ্গল টাইমস। উত্তম কুমার বিশেষ সংখ্যা

মহানায়কের জন্মদিন কবে?‌ এই নিয়ে একটা সমীক্ষা হয়ে যাক। অনেকেই হয়ত বলে বসবেন, জুলাই মাসে। আসলে, সেটা তাঁর মৃত্যুর মাস। কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক, বাঙালি জন্মের থেকে মৃত্যুর মাসটাকেই...

আগে উত্তমের ছবি, সেখান থেকে হিন্দি ছবি

হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।

‌কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। অনেকেই জানেন, এটা কিশোর কুমারের গান। তার বছর দশেক আগে এটা বাবা আকাশবাণীর লাইভ অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন। যে কোনও কারণেই হোক, তখন গানটা জনপ্রিয়তা পায়নি। গানটা বাবারই সুর দেওয়া।

নাটক কবে, কোথায়?‌

কোন হলে কোন ছবি চলছে, ইদানীং সেটা জানা খুব একটা কঠিন নয়। আবার উল্টোটাও সত্যি, কোন ছবি কোন কোন হলে চলছে, সেটাও জানা যায়। নানারকম অ্যাপ বেরিয়েছে। সেখান থেকে আগাম...

পথের পাঁচালীর টাকা এসেছিল পিডব্লুডি থেকে!‌

পথের পাঁচালী ছবির পরিচালক কে, সবাই জানেন। কিন্তু এই ছবির প্রযোজক কে?‌ অনেকেরই হয়ত অজানা। সত্যিই তো, প্রযোজককে নিয়ে কে আর মাথা ঘামায়!‌ কোনও সন্দেহ নেই, বাংলা ছবিতে পথের পাঁচালী...

জেলায় জেলায় মাল্টিপ্লেক্স হোক

সরকারি উদ্যোগে কি জেলাপিছু একটা করে ছোট সিনেমা হল বানানো যায় না?‌ আপাতত না হয় জেলা সদর ধরে শুরু হোক। পরে না হয় সেটাকে মহকুমা স্তরে নিয়ে যাওয়া যাবে। আমার বিশ্বাস, ভাল মানের ছবি দেখতে জেলার দর্শকও নিশ্চয় হলে আসবেন।

সুরকার হেমন্ত যেন গায়কের আড়ালেই থেকে গেলেন

বাংলায় সুরের হাতেখড়ি অভিযাত্রীতে হলেও প্রথম বড় মাপের সাফল্য এল শাপমোচন ছবিতে (‌১৯৫৫)‌। তখন তিনি মুম্বইয়েই (‌তখন বম্বে)‌ বেশি থাকতেন। সেখানে তখন ব্যস্ততা চরমে। ছবিটাতে সুর করার জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছিলেন না। খুব অল্প সময়ে তিনি ‘‌শোনো বন্ধু শোনো’‌, ‘‌সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা’‌, ‘‌বসে আছি পথ চেয়ে’‌, ‘‌ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’‌ গানগুলোর সুর করেছিলেন।