প্রচারে পিছিয়ে, তবে পুজোর সেরা ছবি বানালেন কিন্তু অনীক দত্তই

এখানে তারকার ভিড় নেই, আইটেম সংয়ের বাহুল্য নেই, অকারণ থ্রিলার নেই। যা আছে, তা ধাঁধা। মগজাস্ত্রে শান। রহস্যের ফাঁকেই ইতিহাসের সরণি বেয়ে একটু পায়চারি। প্রতিটি দৃশ্যই যেন যত্ন নিয়ে বানানো। সবমিলিয়ে মনে দাগ কেটে যাওয়ার মতোই।

‌সিনেমা করতে গেলে থ্রিলার কি বানাতেই হবে!‌

হামিতে স্কুলের ম্যাডামের উদ্দেশে ছোট্ট ভুটু ভাইজানের একটা প্রশ্ন ছিল, ‘‌বিয়ে করলে স্প্যাগেটি কি বানাতেই হবে?‌’‌ শিবপ্রসাদ– নন্দিতা জুটিকেও বলতে ইচ্ছে করছে, ‘‌সিনেমা তৈরি করতে গেলে, থ্রিলার কি বানাতেই হবে?‌’‌

আবৃতিতেও জুটিটা খুব জরুরি

শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–‌সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা।

কিশোর আর কৈশোরকে ফিরিয়ে দিলে, লাল সেলাম কমরেড বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মার শ্রেণিচরিত্র যেন অন্যরকম। মেকি বুদ্ধিজীবী হওয়ার হিড়িক নেই। এখানে যে যেমন, সে তেমনই। পুজো প্যান্ডেলের গানগুলোও অন্যরকম, মহাকালের গন্ডি টপকে আসা। কৈশোরে ফিরে যাওয়া, এবং কিশোরে ফিরে যাওয়া। অন্য আঙ্গিক থেকে অসাধারণ লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।

রাজ কাপুরের প্রস্তাব না ফেরালেই পারতেন

কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।

‌শ্রেষ্ঠত্বের মাঝেও ওই তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো?‌ উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না?‌ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–‌মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না?‌ তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

বাংলা ছবি চালানোর জন্য আইন করতে হল!‌

শহরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে ‘‌ধূমকেতু’‌। এখনও কোথাও কোথাও ঝুলছে ‘‌হাউসফুল’‌ বোর্ড। ছবিটি মুক্তি পেল প্রায় দশ বছর পর। নানা আইনি জটিলতায় ছবিটির মুক্তি থমকেছিল। এত বছর আগের একটা ছবি,...

ট্যুর অপারেটর হতে চান?‌ এই ছবিটি দেখুন

অনেকেই হয়ত ট্যুর অপারেটর হতে চান। পর্যটন ব্যবসায় নামতে চান। ভাল–‌মন্দ দুটো দিকই জেনে রাখা দরকার। একটা ছবি দেখতে পারেন, ধারণাটা কিছুটা পরিষ্কার হবে।

রবি ঠাকুর যেন মুক্তি পেলেন কিশোরের কণ্ঠে

সত্যজিৎ চাইছিলেন নতুন এক কণ্ঠ, যা শান্তিনিকেতনী সংস্কৃতি থেকে অনেক দূরের। তাই ডাক পড়ল কিশোরের। বাকিটা ইতিহাস। আমি চিনি গো চিনি এত জনপ্রিয়তা পেত কিশোর না গাইলে!

কিশোরকে মরণোত্তর সম্মান দিতে এত কুণ্ঠা কীসের ?‌

মানুষের হৃদয়ে তাঁর স্থান। কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে তিনি এখনও ব্রাত্যজন। জীবিত অবস্থাতেও স্বীকৃতি পাননি। মৃত্যুর তিন দশক পরেও ছবিটা একইরকম। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।