মুকুলের ছায়া থেকে এখনও নিস্তার নেই কুশলের
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
প্রয়াত কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে’র কথা উঠলেই সবার মাথায় যে গানের সুর গুনগুন করে ওঠে, সেটি নিঃসন্দেহে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই।’ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল বন্ধুত্বের চিরন্তন সম্পর্কের এই কালজয়ী গানের গড়ে ওঠার ইতিহাস।
কফিহাউসের সেই আড্ডাটা আর আজ নেই। গানটা আমরা সবাই জানি। মান্না দের কণ্ঠে গানটা পেয়েছিল অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস নিয়েই আরও একটি গান ছিল মান্না দের। প্রথম কফিহাউসের তেইশ বছর পর। সেই গানটি সেভাবে প্রচারিত নয়। গানটি কথা শমীন্দ্র রায়চৌধুরির। সুর সুপর্ণকান্তি ঘোষের। মান্না দে–র জন্মদিনে সেই গান বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এখন অবশ্য ইউটিউবে গানটি শোনা যায়। আগ্রহীরা শুনে দেখতেই পারেন।
পোশাকি নাম সবিতেন্দ্রনাথ রায়। বইপাড়ায় জনপ্রিয় নাম ভানুবাবু। নববর্ষ মানেই তাঁর দোকানে লেখকদের জমজমাট আড্ডা। অনেক স্মৃতি সযত্নে আগলে রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি আলাপচারিতায় স্বরূপ গোস্বামী।।
আচ্ছা, মেয়েরা কি ছেলেদের এই মনোভাবের কথা বুঝতে পারত? এখন বুঝি, আলবাত বুঝত। নইলে, তারাই বা এমন সেজেগুজে শাড়ি পরে আসত কেন? কতজন পিছু নিচ্ছে, তারাও হয়তো মনে মনে হিসেব কষত। অন্য বান্ধবীদের সঙ্গে হয়তো কম্পিটিশনও করত। এখন বুঝি, কিন্তু তখন বুঝতাম না। বুঝলে এমন দুরুদুরু বুকে পিছু নিতাম না। সোশ্যাল মিডিয়ার আবহে প্রেম নিবেদনটা কত সহজ হয়ে গেছে। তবে, মাঝে মাঝে মনে হয়, সেই লাজুক দিনগুলোই ভাল ছিল
বাকিরা ইংরাজিতে বললেও জ্যোতিবাবু সেদিন পরিষ্কার বাংলাতেই বলেছিলেন। বাকিরা চায়ের জগতের দিকপাল। চা সম্পর্কে তাঁদের বিস্তর জ্ঞান উগরে দিচ্ছিলেন। জ্যোতিবাবুও চাইলে সেক্রেটারিকে দিয়ে চা নিয়ে একটা জ্ঞানগর্ভ ভাষণ তৈরি করে আনতে পারতেন। চায়ের বাণিজ্য, চা শিল্পের সম্ভাবনা, সঙ্কট, সরকারি পরিকল্পনা–এসব নিয়ে নিজের ঢাক পেটাতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেই রাস্তাতেই গেলেন না। একেবারে সহজ–সরল, সাদামাটা ভাষায় নিজের অনুভূতি তুলে ধরলেন।
সিকিম আবার তার দরজা খুলে দিয়েছে। আবার প্রাণের ডাক দিয়েছে। হ্যাঁ, আবার আমরা যাব। এনজেপি–র সেই গাড়িওলা যতই গ্যাংটক–গ্যাংটক করে চিৎকার করুক, আমরা ছুটে যাবে সেই শান্ত, স্নিগ্ধ পাহাড়ি গ্রামে। আমার কাছে ওটাই আসল সিকিম।
তখনও ফেসবুক ছিল না। নিজেকে জাহিরের তীব্র তাগিদও ছিল না। একে মফস্বল, তার ওপর বাংলা মাধ্যম। জন্মগত প্রতিভা নয়, ঘসে মেজে নিজেকে তৈরি করা। অশোক দাশগুপ্ত বা ধীমান দত্ত বা রূপায়ণ ভট্টাচার্যের মতো দুর্ধর্ষ লেখনি ছিল না। পার্থ রুদ্রর মতো এমন সাবলীল ইংরাজিও ছিল না। রূপক সাহা বা জয়ন্ত চক্রবর্তীদের মতো অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ভাণ্ডারও ছিল না। আসলে, অরুণ সেনগুপ্ত জানতেন, তাঁর সীমাবদ্ধতা কোথায়! তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন। তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন না। এই পরিমিতি বোধটা কজনের থাকে!
সকাল সাড়ে নটা । রানিবাঁধ পার্টি অফিস থেকে বেরোলো দুটো গাড়ি। একটা বাসুদেব আচারিয়ার। আরেকটা আমাদের। পৌনে দশটা নাগাদ পোড়াডি মোড়। হঠাৎ দেখা গেল, জলপাই রঙের পোশাক পরা কিছু পুলিশ। পেছনে ধামসা মাদলের শব্দ। দূর থেকে একটা মিছিল এগিয়ে আসছে। আমরা তখন একটা চায়ের দোকানে। বাসুবাবু না হয় চিড়ে দই খেয়ে বেরিয়েছেন, আমাদের তো কিছুই জোটেনি। সারাদিন জুটবে, এমন গ্যারান্টিও নেই।