কেভেন্টার্স: কত অজানা ইতিহাসের সাক্ষী
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান
তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।
গণতন্ত্রে সত্যিই সঙ্কট, তাই সৌমিত্ররাও ‘পূর্ণ মন্ত্রী’ হতে চান
আসলে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদটার কী ওজন, এটা বুঝতে গেলে ন্যূনতম যেটুকু পেটে বিদ্যে থাকা দরকার, তা এই কীর্তিমানের নেই। কারও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কটাক্ষ করা সমীচিন নয়। কিন্তু পনেরো লাখ মানুষের প্রতিনিধির যদি ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞানটুকু না থাকে, তখন আয়না ধরাটাও জরুরি।
অধীর হতে গেলে বুকের পাটা লাগে
অধীর শুধু কংগ্রেসের প্রতীক নন। তিনি আসলে লড়াইয়ের প্রতীক। লড়াই কঠিন জেনেও হাল না ছাড়ার প্রতীক। যে বামেরা একসময় অধীরকে চরম অপছন্দ করতেন, অধীরের জয়ে তাঁরাও কি খুশি হবেন না? বিজেপি–র নিচুতলার কর্মীরাও নিশ্চয় অখুশি হবেন না। এমনকী তৃণমূলের ভেতরের বিরাট একটা অংশও মুখে যাই বলুন, মনে মনে খুশিই হবেন। হ্যাঁ, এটাই অধীরের ক্যারিশ্মা।
চটকপুর এত দুর্গম থাকবে কেন?
চটকপুরের মতো এত সুন্দর জায়গা বঞ্চিত থাকবে কেন? জিটিএ নাকি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর, পূর্ত দপ্তর নাকি পর্যটন দপ্তর, কারা এই দায়িত্ব নেবে জানি না। তবে পর্যটনের স্বার্থে এবং সেই সুন্দর পাহাড়ি গ্রামের স্বার্থে দ্রুত এই রাস্তা মেরামত করা দরকার। বিষয়টি যেহেতু পর্যটনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, তাই পর্যটন দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে নিশ্চয় তাঁরা একটা উপায় ঠিক খুঁজে বের করবেন, এই আশা রাখি।
কোনটা সাফল্য, কোনটা ব্যর্থতা, প্রধানমন্ত্রী আদৌ বোঝেন!
গরু পাচার, কয়লা পাচার, এগুলো আটকানো কার দায়িত্ব, প্রধানমন্ত্রী বোধ হয় ভুলে যান। দশবছর প্রধানমন্ত্রী থাকার পরেও জোর গলায় চিৎকার করেন, গরু পাচার হচ্ছে, কয়লা পাচার হচ্ছে। এই ব্যর্থতার দায় কার? থাপ্পড়টা এসে কি নিজের গালেই লাগছে না? কোনটা তাঁর সাফল্য, কোনটা তাঁর ব্যর্থতা, এই সাধারণ বোধটাই হারিয়ে ফেলেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
স্পেশ্যাল ট্রেন! টিকিট কাটার আগে ভাবুন
গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি
কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা? কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।
পাহাড় যেন দু’হাত উজাড় করে সবকিছু ফিরিয়ে দিল
একটা দুশ্চিন্তাকে সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলাম পাহাড়ে। পৌঁছনোর পরেও সেই দুশ্চিন্তাই যেন তাড়া করছিল। সকালের ঝলমলে কাঞ্চনজঙ্ঘাই যেন সবকিছু বদলে দিল। ভরা বর্ষায় সে এমনভাবে দেখা দেবে, ভাবনারও অতীত ছিল। ওই হেম স্টেতে বসেই কিনা হয়ে গেল বহুজাতিক কোম্পানির দু’খানা ইন্টারভিউ। সবই কেমন যেন অবিশ্বাস্য লাগছে। পাহাড় সফরের অন্য এক উপাখ্যান। উঠে এল শান্তনু পাঁজার লেখায়।
