দীপাবলি এলেই বেজে ওঠে তাঁর গান। আবার যেন জীবন্ত হয়ে ওঠেন পান্নালাল ভট্টাচার্য। কেন শ্যামাসঙ্গীতকেই বেছে নিলেন? কোন অবসাদে নিজেকে নিয়ে গেলেন আত্মহননের পথে? তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের ফিচার।লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
বিশাল মিছিল করে বিনয় তামাংরা নাকি বার্তা দিলেন, বিমল গুরুংকে পাহাড়ে ফেরানো চলবে না। কাকে বার্তা দিলেন? নবান্নে ধমক শুনেই তো আবার গুটিয়ে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর থেকে বিমল গুরুংয়ের গুরুত্ব এখন অনেক বেশি। এই দেওয়াল লিখনটা বিনয় তামাংরা এখনও পড়তে পারছেন না! লিখেছেন চন্দ্রজিৎ সান্যাল।
পুজো সংখ্যার পর এবার আসছে দীপাবলি সংখ্যা। প্রতিবারের মতো এবারও। থাকছে নানা আকর্ষণীয় লেখা। কিছু লেখা আমন্ত্রিত। পাঠকের জন্যও দরজা খোলা।
আর দশজন মন্ত্রী বা নেতার সঙ্গে শুভেন্দুর ফারাক আছে। তাঁকে অন্তত ভাইপোর ছবি টাঙাতে হয় না। আবার এটাও ঠিক, শুভেন্দু আর যাই হোন, মমতা ব্যানার্জি নন। তাই আলাদা দল গড়লেও সফল হওয়া বেশ কঠিন। তাই বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়া ছাড়া তাঁর সামনে বিকল্প নেই। লিখেছেন অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি।