বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয়.‌.‌.‌

‘কারাগারে আঠারো বছর’—লেখা নয়, যেন রূপকথা। আজিজুল তখন যুবক। দমদম জেল ভেঙে পালালেন দলবল নিয়ে। ধরা পড়লেন। বেধড়ক মার। মার খেতে কি ভালোবাসতেন আজিজুল?

ভুলে ভরা এক কমিশন ও তার গাঁজাখুরি রিপোর্ট

বিচারপতিদের প্রতি এখনও মানুষের শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু আপনিও সেই নির্লজ্জ চাটুকারিতার রাস্তাই বেছে নিলেন! মেরুদণ্ড যে নেই, তা তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এতদিন বিচারপতি ছিলেন। আইনের সাধারণ জ্ঞানটুকু থাকবে, এটুকু তো আশা করা যায়। আপনার তো দেখছি, সেটুকুও নেই। এখন প্রশ্ন জাগে, বিচারপতি হতেও কি কোনও যোগ্যতা লাগে না!

‌ ভাইরাল হয়েই থেকে গেল ‘‌এমন তো কতই হয়’‌

‘‌এমন তো কতই হয়।’‌ দিব্যি এই কথাটা জ্যোতি বসুর নামে চালিয়ে দেওয়া হয়। অথচ, এই কথাটা জ্যোতি বসু কোনওদিন উচ্চারণও করলেন না। তা সত্ত্বেও কী অবলীলায় তাঁর নামে চালিয়ে দেওয়া হল। টিভির তর্ক বিতর্কে মাঝে মাঝেই তৃণমূল বা বিজেপির প্রতিনিধি এই কথাটা জ্যোতি বাবুর নামে চালিয়ে দেন। আর সেই চ্যানেলে হাজির বাম নেতা তখন মাথা নামিয়ে কার্যত স্বীকার করেই নেন। এখনও পর্যন্ত কাউকেই বলতে শুনলাম না, ওটা জ্যোতিবাবু বলেনননি। অথচ, সত্যিই জ্যোতিবাবুর মুখ থেকে ওই বাক্যটা বেরোয়নি।

পাহাড় হাসছে, জ্যোতিবাবুকে কখনও এমন ঢাক পেটাতে হয়নি

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

‌স্বরূপ গোস্বামী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার...

হেমেনবাবুকে ধরে আনলেন প্রফুল্ল সেন

মাত্র এক টাকায় কেনা হয়েছিল সল্টলেক? কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বিধানচন্দ্র রায়? স্মৃতিচারণে প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।। সল্টলেকে জমির দাম কত? কত হতে পারে, অনুমান করুন। তাহলে, গোটা সল্টলেকের...

বিধানবাবু ও একটি আটপৌরে সভা

সেঁজুতি সেনগুপ্ত আমার জন্ম বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর অনেক পরে। সুতরাং, তাঁকে কাছ থেকে দেখা তো দূরের কথা, দূর থেকে দেখার কোনও সুযোগও আমার সামনে ছিল না। তাঁর সম্পর্কে যেটুকু জানা,...

‌একটি পেরেকের কাহিনী

উত্তম জানা দিন কয়েক আগের কথা। ফেসবুকে জানতে পারলাম, সাগরময় ঘোষের জন্মদিন। অনেকেই ছবি দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অনেকেই দু–‌চার কথা লিখছেন। দেশ পত্রিকার এই সম্পাদক সম্পর্কে বলা হয়, যিনি দারুণ...

বাঁকুড়া থেকেও ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বিধানচন্দ্র!‌

সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–‌দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।

কিশোরকে প্রথম রবীন্দ্র সঙ্গীত গাওয়ান হেমন্তই

শোনা যায়, কিশোর কুমারকে কলকাতায় প্রথমবার মঞ্চে আনার নেপথ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বড় অবদান ছিল। কিশোর এত এত দর্শকের সামনে গান গাইতে রাজি হচ্ছিলেন না। হেমন্তই তাঁকে ভরসা দেন, ‘‌তুমি চলো। কোনও চিন্তা নেই। আমি তোমার পেছনেই থাকব। কোথাও কোনও সমস্যা হলে আমি সামলে দেব।’‌ সামলাতে অবশ্য হয়নি। রবীন্দ্র সরোবরে টানা দেড় ঘণ্টা মাতিয়ে রেখেছিলেন কিশোর কুমার। মঞ্চে গাওয়ার এমন এক আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেলেন, যা দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে গেছেন সারা জীবন।