যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও আসে, তবু কোনও চিন্তা নেই। কারণ শ্রীমান অমিত শাহ আছেন। ১২০ আসন পেলেও বাকি প্রায় ৩০ খানা আসন জোগাড় করা নাকি কোনও ব্যাপারই নয়। তিনি নাকি ৩০ জন এম এল এ কে কিনে নেবেন। আহা, কী গর্বের কথা!
সাম্প্রতিককালে কেউ নিউ জলপাইগুড়ি গিয়েছেন? গেলেই বুঝতে পারবেন দুর্ভোগ কাকে বলে। যাঁরা উত্তরবঙ্গ বা সিকিমে বেড়াতে যান, তাঁরা মূলত নামেন এই এনজেপি স্টেশনেই। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ এই স্টেশন দিয়ে...
মাধ্যমিক পাস করেছেন কিনা বলতে পারেন না। অথচ, হলফনামায় কী অবলীলায় পিএইচডি লিখে ফেলেন! সব তাঁর হাপিডেবিটে আছে। এমন গঙ্গারামকে পাত্র হিসেবে যখন পেয়েই গেছেন, তখন সে কেমন ছেলে, নাইবা জানতে চাইলেন!
সৃজন শীল খুব ছোটবেলার কিছু মুখ চিরতরে মনে দাগ কেটে যায়। তেমনই একটি মুখ প্রণয় রায়। মনে আছে, আটের দশকে দূরদর্শনে শুক্রবার রাতে একটি অনুষ্ঠান হত, ‘দ্য ওয়ার্ল্ড দিস উইক’।...
একদল বলছে, পরিবর্তন চাই। এই সরকারকে আর নেওয়া যাচ্ছে না। আবার আরেক দল বলছে, আর যাই হোক এই রাজ্যে বিজেপিকে ডেকে আনার কোনও মানে হয় না। রাজ্যের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
ভুবন সেন আপনি এক পথচলতি জনতা। আপনি মেট্রোয় চড়েন। আপনি ট্রেন চড়েন। আপনি পাড়ার চায়ের দোকানে বসেন। আপনি টিভি দেখেন। আপনি ফেসবুকে চোখ রাখেন। আপনার চোখ–কান খোলা। কে কী বলছে,...
যেভাবে রাজ্যের বিরাট অংশের মানুষকে হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে, তার জন্য অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা হোক। দলমত নির্বিশেষে বাংলার সাধারণ জনতার উচিত ধিক্কার দেওয়া।
মূর্খ লোক মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না, এমনটা সংবিধানে কোথাও বলা নেই। কিন্তু যিনি নন ম্যাট্রিক, তিনি যদি পিএইচডি–র ভুয়ো সার্টিফিকেট দাখিল করেন, তখন সেটা জালিয়াতি। এই জালিয়াতির কথা জানার পরেও যাঁরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করেন, সত্যিই তাঁদের জন্য করুণা হয়। এরকম একজন কীর্তিমান যে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শপথ নিলেন, এটা নির্বাচন কমিশন ও দেশের বিচার ব্যবস্থাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।
নতুন বছরে আমরা তাহলে কী করব? বাংলা ডেড ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা বলে একটা বিকৃত আনন্দ পাব? নাকি হাহুতাশ করে যাব? এসব পন্থা ছেড়ে নিজেদের জীবন যাপনে যেন একটু হলেও বাংলাকে ফিরিয়ে আনতে পারি, সেই চেষ্টাই বোধ হয় করা উচিত। না, বাংলা ভাষার জন্য মিছিল করতে হবে না, প্রাণ দিতেও হবে না। মাসে অন্তত একটা ভাল বই পড়া, একটা ভাল বাংলা ছবি দেখা, অন্তত একটা চিঠি লেখা, কয়েকটা গান শোনা— এটুকু তো করতে পারি।
একটু বিচক্ষণতা থাকলে, একটু দূরদর্শিতা থাকলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেত। বারবার কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হত না। মনোনয়ন জমা হয়ে গেল, ভোট আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও তালিকাই চূড়ান্ত হল না। এমনকী কোর্টও কার্যত হাত তুলে দিয়েছে।