কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।

একবার কেভেন্টার্সে ঘুরেই আসুন

খোলা ছাদ, একেবারেই সাদামাটা একটা রেস্তোরাঁ। বলে না দিলে আলাদা করে বোঝার উপায়ও নেই। ম্যাল থেকে একটু নেমে গেলেই চোখে পড়বে রেস্তোরাঁটা। সেখানকার প্রিয় খাদ্য নাকি চিকেন সসেজ। যারা আসে, এটাই আগে খায়।

কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।

হাতে স্মার্টফোন!‌ ওরা আসলে কিছুই দেখছে না

সে একটা উপন্যাসের অডিওবুক পুরো শুনত, তাহলেও বলতে পারত, আমি এই উপন্যাসটা পুরো শুনেছি। যদি সে একটা সিনেমাও পুরো দেখত, তাহলেও বলতে পারত, ওই ছবিটা পুরো দেখেছি। দিনের শেষে সেটাও একটা প্রাপ্তি হত। যে প্রাপ্তির কথা তার পাঁচ বছর পরেও মনে থাকত। কিন্তু আসলে সে কিছুই দেখেনি। তাই পরের দিন কোনওটাই মনে থাকে না। প্রাপ্তির ভাঁড়ার কার্যত শূন্য। হ্যাঁ, তারা কিছুই গ্রহণ করে না। শুধু প্রত্যাখ্যান করে চলে।

‌পুরীর স্বর্গদ্বারে মদনোমোহোনো

পুরীর স্বর্গদ্বার ভালো লাগে না, এমন মানুষ আছে কি না সন্দেহ। এইরকম আনন্দধাম বিশ্বে বোধহয় আর দুটি নেই। সি বিচের ওপর বসে থাকতে থাকতে কোথা দিয়ে যে সময় কেটে যায় বোঝাই যায় না। সন্ধ্যেবেলার কী অদ্ভুত মায়াবি পরিবেশ। ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাস। একের পর এক সমুদ্রের ঢেউ আসছে আবার মিলিয়ে যাচ্ছে। অবিরাম।

নামেই অরন্ধন, আসলে মহারন্ধন

সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা?‌ তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

ছায়া সুনিবিড় কোয়ালপাড়া

জয়রামবাটী বা কামারপুকুরের নাম তো আপনারা সবাই শুনেছেন। বেড়াতে যাওয়ার পক্ষে আদর্শ জায়গা। অনেক দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসছেন। কিন্তু জানেন কি কোয়ালপাড়া মঠের কথা?‌ জয়রামবাটী থেকে মাত্র চার...

হ্যাঁ, আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না

নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাদের মহুয়া খাওয়াল। একটা বোতলে করে মহুয়া ভরেও দিল। টাকা দিতে গেলাম। কিছুতেই নিল না। বলল, আপনারা মহুয়া খেতে চেয়েছেন, এ তো আমার সৌভাগ্য, এর জন্য টাকা নেব কেন! সেই কাকার আসল নাম আর মনে নেই। কিন্তু হোলি এলেই আমাদের সেই দোবরু পান্নার কথা খুব মনে পড়ে।

‌একটা স্মার্টফোন, কেড়ে নিচ্ছে এক পাতা পড়ার ধৈর্য

পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে। অহেতুক রাত জাগছে। নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে। কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না?‌ তাই, আমাদের দেশেও এই নিয়ম চালু হোক। রাত বারোটা নয়, রাত দশটা থেকে ফেসবুকের উৎপাত বন্ধ হোক।

সারাক্ষণ স্মার্টফোনে?‌ অজান্তে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?‌

টেনিস এলবোর নাম তো আমরা সবাই শুনেছি। শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার এই রোগে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। পশ্চিমী দুনিয়ায় এখন এক নতুন সমস্যার নাম সেলফোন এলবো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হ্যান্ড অ্যান্ড আপার এক্সট্রিমিটি সেন্টারের অস্থি বিশেষজ্ঞ ডক্টর পিটার জে ইভান্স জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ সেলফোন ব্যবহারের ফলে হাতের হাড় ও পেশিতে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।