বেঙ্গল টাইমস। ১৬ মার্চ সংখ্যা।।

বেঙ্গল টাইমস। ১৬ মার্চ সংখ্যা।। ❏‌ আদালতের এজলাস থেকে জনতার দরবারে। ❏‌ অভিজিৎ গাঙ্গুলিকে ঘিরে এত অসহিষ্ণুতা কেন ? ❏‌ বিচারপতিদের কি কুলিং অফে যাওয়া দরকার ? ❏‌ সাংসদের কাজ...

ভোটকে ঘিরে তিনমাসের হুজুগ কেন?‌

এই রাজ্যে ভোট অনেকটা উৎসবের মতোই। যাঁরা কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁদের অনেকে হয়তো মুখ ফিরিয়ে থাকেন। ভাবেন, আমার ভোটে কীই বা আসে যায়!‌ কিন্তু উল্টো ছবিটাও আছে। অনেকেই ভোটের দিন নিজের এলাকায় ফিরে আসেন। শুধু তো হুজুগ নয়। শুধু তো কাউকে খুশি করা নয়। আসেন যখন, নিশ্চয় কাকে ভোট দেবেন, সেই ভাবনাটাও কাজ করে। অর্থাৎ, নিজের পছন্দ–‌অপছন্দকে ইভিএমে আরও সোচ্চারভাবে জানাতে চান।

এত অসহিষ্ণুতা কেন?‌

অভিজিৎ গাঙ্গুলির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আপত্তি থাকতেই পারে। তাই বলে তাঁকে এভাবে আক্রমণ করতে হবে?‌ একটু সহিষ্ণুতা, একটু শিষ্টাচার কি আশা করা যায় না?‌ কোথায় থামতে হয়, সেটা এই অর্বাচীনদের শেখানো সত্যিই বড় জরুরি।

দশ বছর আগে, মহানায়ক অরূপ কুমারের সঙ্গে

সরল বিশ্বাস বছর দশেক আগের কথা। সেবারও লোকসভা ভোটের আবহ। অফিস থেকে পাঠাল বাঁকুড়ায়। সেখানে ভোটের হাওয়া পরখ করতে। বাঁকুড়ায় সেবার হেভিওয়েট লড়াই। একদিকে বাসুদেব আচারিয়া। তৃণমূলের প্রার্থী মুনমুন সেন।...

একটি দলবদল ও কয়েকটি মোক্ষম থাপ্পড়

সরল বিশ্বাস কেউ এক দল থেকে অন্য দলে গেলে কয়েকটা চেনা সংলাপ ঘোরাফেরা করে। তৃণমূল থেকে যদি কেউ বিজেপি–‌তে যান, তিনি বলবেন, ‘‌এই দুর্নীতি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। দম...

মোহন সচিবের ফাঁপা হুমকিকে কে পাত্তা দেয়!‌

অজয় নন্দী নিত্য নতুন বায়নায় মোহনবাগান সচিবের কোনও জুড়ি নেই। সেই বায়না কতটা হাস্যকর, সেদিকে কোনও ভ্রুক্ষেপই থাকে না। যেভাবেই হোক, খবরে থাকতে হবে। টিভিতে মুখ দেখাতে হবে। কাগজে নাম...

ডার্বি নিয়ে চিঠি নেই, বিবৃতিও নেই

কখনও শোনা গেল, ডার্বির দিন এগিয়ে যাবে। কখনও শোনা গেল, ভিন রাজ্যে চলে যাবে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী এমনতি প্রচারের ফুটেজ খেতে সব ব্যাপারেই আসরে নেমে পড়েন। কিন্তু এক্ষেত্রে বুঝতে পারছেন না, কী পরামর্শ দেবেন। যদি তিনি রেগে যান!‌ অতএব, তিনিও মুখে কুলুপ এঁটে বসে রইলেন। ক্রীড়ামন্ত্রী থেকে ক্রীড়া প্রশাসন, দুই ক্লাব— সবাই কতটা অসহায়, এই একটা সিদ্ধান্ত যেন আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

জঙ্গলে নৌকাবিহার, ধরা দিল অন্য এক ডুয়ার্স

মুশকিল আসান সেই বাবু। ভাল নামটা কী, জানা হয়নি। জানার দরকারও নেই। বাবু নামেই গোটা রাজাভাতখাওয়ায় পরিচিত। ছোটখাটো একটি ছেলে। অটো নিয়ে সারাদিন এদিক–‌সেদিক ঘুরে বেড়ায়। সকালে হাঁটতে হাঁটতে চেকপোস্টের কাছে দেখা হয়ে গেল বাবুর সঙ্গে। জানতে চাইল, আজ কোথাও যাবে না। কী মনে হল, জানি না। হঠাৎ ওকে বলে বসলাম, চলো, তুমি যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই যাব। তবে দূরে কোথাও নয়। মোটামুটি আধঘণ্টার মধ্যে। দুপুরের মধ্যে যেন ফিরে আসতে পারি।

‌দিশাহীন জনতা যাবে কোনদিকে!‌

আজ যে বিরোধী, কাল সে শাসক শিবিরে ভিড়ে যাবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়!‌ আবার কোন ইস্যুতে বিরোধিতা করতে হয়, কোন ইস্যুতে চুপ থাকতে হয়, সেই পরিমিতি বোধটাও থাকে না। বিরোধিতা করতে গেলেও লেখাপড়া লাগে, চর্চা লাগে, পরিশ্রম লাগে, বিশ্বাসযোগ্যতা লাগে। অধিকাংশ বিরোধীর মধ্যে সেই প্রাথমিক দিকগুলোই নেই। আর যাই হোক, এই বিরোধীদের ওপরও সেই আস্থা রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

সেই সর্দারজিরা যদি ফিরে আসতেন!‌

কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।