জঙ্গলে নৌকাবিহার, ধরা দিল অন্য এক ডুয়ার্স

মুশকিল আসান সেই বাবু। ভাল নামটা কী, জানা হয়নি। জানার দরকারও নেই। বাবু নামেই গোটা রাজাভাতখাওয়ায় পরিচিত। ছোটখাটো একটি ছেলে। অটো নিয়ে সারাদিন এদিক–‌সেদিক ঘুরে বেড়ায়। সকালে হাঁটতে হাঁটতে চেকপোস্টের কাছে দেখা হয়ে গেল বাবুর সঙ্গে। জানতে চাইল, আজ কোথাও যাবে না। কী মনে হল, জানি না। হঠাৎ ওকে বলে বসলাম, চলো, তুমি যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই যাব। তবে দূরে কোথাও নয়। মোটামুটি আধঘণ্টার মধ্যে। দুপুরের মধ্যে যেন ফিরে আসতে পারি।

‌দিশাহীন জনতা যাবে কোনদিকে!‌

আজ যে বিরোধী, কাল সে শাসক শিবিরে ভিড়ে যাবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়!‌ আবার কোন ইস্যুতে বিরোধিতা করতে হয়, কোন ইস্যুতে চুপ থাকতে হয়, সেই পরিমিতি বোধটাও থাকে না। বিরোধিতা করতে গেলেও লেখাপড়া লাগে, চর্চা লাগে, পরিশ্রম লাগে, বিশ্বাসযোগ্যতা লাগে। অধিকাংশ বিরোধীর মধ্যে সেই প্রাথমিক দিকগুলোই নেই। আর যাই হোক, এই বিরোধীদের ওপরও সেই আস্থা রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।