প্রমোশন দিয়ে বদলি শুধু সময়ের অপেক্ষা
যে কোনও দিন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি বদলি হয়ে যাবেন। হয়ত বলা হবে, আপনাকে অমুক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি করা হল। তারপর পাঠিয়ে দেওয়া হবে কোনও এক ছোটখাটো রাজ্যে।
যে কোনও দিন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি বদলি হয়ে যাবেন। হয়ত বলা হবে, আপনাকে অমুক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি করা হল। তারপর পাঠিয়ে দেওয়া হবে কোনও এক ছোটখাটো রাজ্যে।
সাইকার উঠে আসার ইতিহাসটা খুব মসৃণ ছিল না। পার্ক সার্কাসের ছোট্ট এক ঘিঞ্জি এলাকায় বেড়ে ওঠা। ওই এলাকায় একজন মেয়ে ক্রিকেট খেলছে, এমন দৃশ্য ভাবাটা খুব সহজ ছিল না। কিন্তু সাইকা এতটাই বেপরোয়া, কে কী বলল, কে কী ভাবল, পরোয়াই করতেন না। ছেলেদের সঙ্গেই মেতে উঠেছিলেন গলির ক্রিকেটে। তাঁর দুম দাম শটে আশেপাশের কত বাড়ির জানালার কাচ ভেঙেছে, পথচলতি কত মানুষের গায়ে বল পড়েছে, হিসেবে নেই।
আচ্ছা বলুন তো, তিন বছর ধরে মোহনবাগানের পেছনে এত টাকা ঢালার পরে এমন হেনস্থা কি তাঁর প্রাপ্য ছিল! এরপরেও কোনও কোম্পানি স্পনসর করতে এগিয়ে আসবেন!
একদিকে মোহনবাগান জনতার উল্লাস। এত লড়াইয়ের পর আইএসএলের ট্রফি এল। উল্লাস হবে, সেটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের অবস্থাটা ঠিক কেমন? তারা শেষ করল দশ নম্বরে। এগারো দলের মধ্যে দশ নম্বর। নিশ্চয় খুব গর্বের বিষয় নয়। কিন্তু তারপরেও কি লাল হলুদ কর্তাদের টনক নড়েছে?
কর্তারা দল গঠন নিয়ে স্পনসরের সঙ্গে আলোচনা করতেই পারেন। কিন্তু সবকিছু এমন ঘটা করে করতে হয়? এতে বাড়তি প্রচার হয়ত পাওয়া যায়। নিজেদের ঢাক পেটানো যায়। কাজের কাজ বিশেষ কিছু হয় না।
এখানেও এক ডাকপিওন আছে। একটা ডাকঘর আছে। একটি ছোট্ট মেয়েও আছে। তবে গল্পের মোচড়টা একটু অন্যরকম। দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়েছিল গ্রামের ডাকঘর। চিঠিও আসত না। মানি অর্ডারও আসত না। আর কোনও পোস্টমাস্টারও এই গ্রামের ডাকঘরে কাজ করতে আসত না।
ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর জন্মদিন। শতবর্ষে পা রাখলেন পদাতিক কবি। আঠারো বছর আগে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। পড়ুন, ভাল লাগবে।
আমাদের ঘরটা বেশ সুন্দর। ঘর লাগোয়া বারান্দা থেকে খুব ভাল ভিউ পাওয়া যায়। দূরের পাহাড়ে পেলিং শহর দেখা যায়। আর যেটা দেখা যায় সেটা হল সন্ধ্যেবেলা আকাশের তারাগুলো কীভাবে আলোর বিন্দুর সঙ্গে মিশে যায়। ১৮০ ডিগ্রি ভিউতে দেখা যাচ্ছে বিন্দু বিন্দু আলোয় ভর্তি পাহাড়ের সারি, এক কথায় অসামান্য। মনে হচ্ছিল, একঝাঁক তারা যেন কোন এক অমোঘ আকর্ষণে মাটিতে নেমে এসেছে।