তিন ক্লাবকে ডেকে নাও, নজরুল মঞ্চ ভরাতে হবে তো!‌

পিজি হাসপাতালের নাম ঘোষণা করে দাও। নির্মল মাজি সব ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের আসার ফরমান জারি করে দেবেন। ক্লাবগুলোকে ডেকে দাও। অরূপ বিশ্বাস তিন ক্লাবের কর্তাদের কানে কানে ঠিক বলে দেবেন, লোক আনতে হবে কিন্তু। ব্যাস, নজরুল মঞ্চ ভরানো নিয়ে আর কোনও দুশ্চিন্তা রইল না।

ভাল করে পোস্টার দেখুন, আগে সুচিত্রা, পরে উত্তম

উত্তম–‌সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–‌সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–‌উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। এমনকী রবি ঠাকুর বা নেতাজিরও রেহাই নেই। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে না হয় একটু ভিন্ন সুর থাকল। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।

‌শ্রেষ্ঠত্বের মাঝেও ওই তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো?‌ উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না?‌ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–‌মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না?‌ তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

‌কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

যে গান বাবার কণ্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছল না, সেই গান কিশোরের কণ্ঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কিশোর কুমারের অবদানকে এতটুকুও ছোট করছি না। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বড় কারণ উত্তম কুমার। তিনি লিপ না দিলে হয়ত গানটা এতখানি হিট নাও হতে পারত। স্মৃতিচারণ সৈকত মিত্রর।