এত ব্যস্ততার মাঝেও চিঠি লিখতে ভুলতেন না

ব্যস্ততার মাঝেও কীভাবে সময় বের করে নিতে হয়, তিনি জানতেন। চিঠি লেখায় তাই বিরাম পড়েনি। নিয়মিত পাঠকদের চিঠির উত্তর দিতেন। তাঁর লেখা চিঠি কত হাজার হাজার পাঠকের কাছে সারাজীবনের সম্পদ হয়ে আছে। বোঝা গেল, যাঁরা সত্যিকারের ব্যস্ত, তাঁরা ঠিক সময় বের করে নিতে জানেন। লিখেছেন উত্তম জানা।

ভারত–‌পাক সিরিজই পারে সম্প্রীতি ফেরাতে

রাজনীতির ব্যাপার রাজনীতির লোকেরা বুঝুন। তার সঙ্গে খেলাকে না জুড়লেই নয়!‌ নিজেরা সমস্যা মেটাতে পারছেন না। সেই ব্যর্থতার বোঝা খেলাধূলার ওপর কেন চাপাচ্ছেন?‌ যে সম্প্রীতি আপনারা আনতে পারেননি, তা ক্রিকেটাররাই পারেন। ওঁদের খেলতে দিন। এই দমবন্ধ আবহে ওঁরা অন্তত তাজা অক্সিজেন আনতে পারবেন।

কেউ কেউ যত চুপ থাকেন, ততই মঙ্গল

আচ্ছা, এত কথা বলতে হবে কেন?‌ সব ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে বা মুখ্যমন্ত্রীকে মুখ খুলতে হবে কেন?‌ এমনিতেই তাঁদের ভুলভাল ভাষণের ঠেলায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। সুস্থ, স্বাভাবিক ও দায়িত্বশীল কথা তাঁদের মুখে কমই শোনা যায়। কোথায়, কোন মঞ্চে কোনটা বলতে হয় আর কোনটা বলতে নেই, এই পরিমিতি বোধটাই নেই। এরপর এই ইস্যুতে যদি তাঁরা বলতে শুরু করেন, সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। লিখেছেন উত্তম জানা।

সিবিআই কতটা অপদার্থ, ভাইপোর থেকে ভাল কে জানেন!‌

ভাইপো ভাল করেই জানেন, তাঁর কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না সিবিআই বা ইডি। লোকদেখানো দু একটা চিঠি চাপাটি চলবে। জেরায় ডাকা হবে। তিনি চিঠি পাঠিয়ে এড়িয়ে যাবেন। এরকমই চলবে। সময় গড়িয়ে যাবে। আসল অপরাধীরা দেশ ছেড়ে পগাড় পার। তাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অপদার্থ সিবিআই ঠিকঠাক চার্জশিটটাও জমা দিতে পারবে না। পর্বতের মুষিক প্রসব হবে। আর তিনি চিৎকার করে বলবেন, কই, কিছু প্রমাণ করতে পারল!‌ প্রমাণ হয়ে গেল, আমাকে ফাঁসানোর জন্য চক্রান্ত চলছিল।

বেশি ঝুলিয়ে রাখলে বাবুলের ‘‌দম বন্ধ’‌ হয়ে আসতে পারে

রাজ্যে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। কিন্তু চারটি উপনির্বাচন হচ্ছে। কোথাও তো তাঁকে প্রার্থী করা হল না। আপাতত সামনে কোনও উপনির্বাচনও নেই। তাহলে কি আরও কারও মৃত্যুর জন্য বা কে কখন পদতাগ করবেন, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে?‌

এতখানি উপেক্ষা বোধ হয় কোহলির প্রাপ্য ছিল না

সৌরভ গাঙ্গুলি যদি অধিনায়ক হতেন আর তাঁকে যদি এভাবে উপেক্ষা করা হত, তাহলে কি তিনি মেনে নিতেন?‌ অথচ, এখন তিনি প্রশাসক। এখন তিনি যেটা চাইবেন, সেটাই আইন। তাই অধিনায়কের মতামতের গুরুত্ব নেই। এমনকী মতামত চাওয়াও হয় না।

শেখ হাসিনা বুঝিয়ে দিলেন, কে সাহসী আর কে ভীরু

এখানেই তফাত। ছোট দেশ হয়েও যে দৃঢ়তা ও সৎসাহস বাংলাদেশ সরকার দেখাতে পারে, এত বড় দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই সৎসাহস দেখাতে পারেন না। তিনি সত্যিই বড় অসহায়। সংখ্যাগুরুকে উস্কে দেওয়া খুব সহজ কাজ। এর জন্য বীরত্ব লাগে না। কিন্তু সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়িয়ে সংখ্যাগুরুর কাজের নিন্দা করতে হিম্মৎ লাগে বই কি। সেই হিম্মৎ কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আছে!‌ লিখেছেন অজয় কুমার।

গোল দিয়ে গেল গোলন্দাজ

নগেন্দ্রপ্রসাদকে নিয়ে তেমন প্রামাণ্য বই বা গবেষণা কই?‌ তাই, তাঁর জীবন নিয়ে বা ফুটবলের বিবর্তন নিয়ে ছবি করতে গেলে কল্পনার আশ্রয় নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। তাই অতিরঞ্জন থাকলেও তা ক্ষমার চোখেই দেখা যায়। গোলন্দাজ দেখে এসে লিখলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

‌সেদিন যদি শিশিরবাবুকে পদত্যাগ করাতেন!‌

বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীও বেশ অসহায়। তিনি অন্যদের দলবদলের নিন্দা জোরালো ভাষায় করতে পারবেন না। কারণ, তাঁর নিজের বাড়িতেই দুই সাংসদ আছেন, যাঁরা তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হয়ে এখন তৃণমূলে নেই। তিনি কোন মুখে অন্যদের সমালোচনা করবেন?‌ তাঁর বাবা ও ভাই কেন এখনও পদত্যাগ করেননি, এই প্রশ্নটা তাঁর দিকে ধেয়ে আসবেই।

পর্দায় নয়, জীবনের হিরো সোনু

প্রায় দু’‌দশক ধরে পায়ের তলায় একটু মাটি পাওয়ার জন্য কত লড়াই করেছি। কতবার মনে হয়েছে, এভাবে লড়াই করার থেকে বাড়ি ফিরে যাওয়া অনেক ভাল। পকেটে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি আছে। বাবার ব্যবসা আছে। কী দরকার একটা–‌দুটো খুচরো রোল পাওয়ার জন্য এত ঝক্কি নেওয়ার।