রাজনীতির ব্যাপার রাজনীতির লোকেরা বুঝুন। তার সঙ্গে খেলাকে না জুড়লেই নয়! নিজেরা সমস্যা মেটাতে পারছেন না। সেই ব্যর্থতার বোঝা খেলাধূলার ওপর কেন চাপাচ্ছেন? যে সম্প্রীতি আপনারা আনতে পারেননি, তা ক্রিকেটাররাই পারেন। ওঁদের খেলতে দিন। এই দমবন্ধ আবহে ওঁরা অন্তত তাজা অক্সিজেন আনতে পারবেন।
আচ্ছা, এত কথা বলতে হবে কেন? সব ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে বা মুখ্যমন্ত্রীকে মুখ খুলতে হবে কেন? এমনিতেই তাঁদের ভুলভাল ভাষণের ঠেলায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। সুস্থ, স্বাভাবিক ও দায়িত্বশীল কথা তাঁদের মুখে কমই শোনা যায়। কোথায়, কোন মঞ্চে কোনটা বলতে হয় আর কোনটা বলতে নেই, এই পরিমিতি বোধটাই নেই। এরপর এই ইস্যুতে যদি তাঁরা বলতে শুরু করেন, সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। লিখেছেন উত্তম জানা।
ভাইপো ভাল করেই জানেন, তাঁর কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না সিবিআই বা ইডি। লোকদেখানো দু একটা চিঠি চাপাটি চলবে। জেরায় ডাকা হবে। তিনি চিঠি পাঠিয়ে এড়িয়ে যাবেন। এরকমই চলবে। সময় গড়িয়ে যাবে। আসল অপরাধীরা দেশ ছেড়ে পগাড় পার। তাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অপদার্থ সিবিআই ঠিকঠাক চার্জশিটটাও জমা দিতে পারবে না। পর্বতের মুষিক প্রসব হবে। আর তিনি চিৎকার করে বলবেন, কই, কিছু প্রমাণ করতে পারল! প্রমাণ হয়ে গেল, আমাকে ফাঁসানোর জন্য চক্রান্ত চলছিল।