বিরাট নিজে সংযম দেখাতে পারবেন তো!‌

রজত সেনগুপ্ত খেলা থাকুক আর নাই থাকুক, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি সাঁটানোয় তাঁর বিরাম নেই। অন্যরা নানা মুহূর্তের ছবি তুলে রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। লাইক, কমেন্ট আশা করেন। তাঁদের সবাইকে...

অণু গল্প: এক কাপ আদা-চা

এক কাপ সস্তার আদা–‌চায়ের এত ক্ষমতা?‌ এভাবে ক্ষত–‌বিক্ষত করে দিতে পারে?‌ টলোমলো পায়ে প্রবোধবাবু এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে। অণু গল্প। জীবনের টুকরো টুকরো কিছু অনুভূতি। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।

মানিকদা বললেন, কাজটি না পেলে মন খারাপ কোরো না

‌‌একান্ত সাক্ষাৎকারে লিলি চক্রবর্তী লিলি চক্রবর্তী। সত‍্যজিৎ রায়, তপন সিংহ, ঋষীকেশ মুখোপাধ্যায়, গুলজার হয়ে পরের প্রজন্মের ঋতুপর্ণ ঘোষ, শিবপ্রসাদ–‌নন্দিতা, সৃজিতদের সঙ্গে দীর্ঘ তেষট্টি বছর সমান তালে কাজ করে চলেছেন তিনি।...

দুই বিদায়ী মেয়রের গপ্পো

চিঠিটা কে কাকে লিখছেন?‌ নিশ্চয় একজন পুর প্রশাসক লিখছেন পুরমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু কী আশ্চর্য!‌ যে ছবিটা সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, জিতেন্দ্র তেওয়ারি লিখছেন বিধায়কের প্যাডে। কোন চিঠিটা কোন প্যাডে লিখতে হয়, সেটুকুও বোঝেন না। এই বিদ্যেবুদ্ধি নিয়েই এতদিন আসানসোলের মতো শহরের মেয়র হয়েছিলেন।

‌রাজীবের সঙ্গে কোনও রফাসূত্রেই আর কাজ হবে না

কেন দল ছাড়তে চাইছেন?‌ ক্ষোভ–‌বিক্ষোভ তো আছেই। কিন্তু তার থেকেও বড় কারণ অন্য। দেওয়াল লিখনটা তিনি পড়তে পারছেন। সরকার বদলের সম্ভাবনা না থাকলে কখনই দল বদলের কথা ভাবতেন না। ক্ষোভ–‌অপমান সহ্য করেই থেকে যেতেন। লিখেছেন হেমন্ত রায়।

আপনার বেড়ানোর কথা লিখে ফেলুন

শীত মানেই মন উড়ু উড়ু। কোথাও না কোথাও বেরিয়ে পড়তে ইচ্ছে করে। লম্বা ছুটি পেলে তো কথাই নেই। অনেকে হয়ত একদিন বা দুদিনের ছোট্ট ছুটিতেও ঘুরে এলেন। বা কেউ হয়ত...

এই জনরোষ যদি ব্যুমেরাং হয়ে ওঠে!‌

একদিন হিংসা ছড়ানোর এই প্রবণতাও ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে। আজ যাঁরা জনরোষের তত্ত্ব খাড়া করে গুন্ডামিতে ইন্ধন দিচ্ছেন, একদিন সেই জনরোষ হয়ত সত্যি সত্যিই তাঁদের ওপরেই আছড়ে পড়বে।লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

তাঁর সম্মতি ছাড়া সুদীপ্তর চিঠি গণমাধ্যমে পৌঁছে গেল!‌

বুদ্ধিটা যার মাথাতেই আসুক, মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া এমন একটা চিঠি ছড়িয়ে দেওয়ার সাহস কারও হতে পারে!‌ আবার বলছি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ হয়ত ছিল না। কিন্তু সম্মতি ছিল না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।

সেই ভুল এই প্রথম স্বীকার করলাম

একটা ভুল, যা আজও বাবার কাছে স্বীকার করা হয়নি। সেটাই এবার স্বীকার করতে চান রাজীব মিত্র। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগের এই লেখাটাই পাঠিয়ে দিতে চান নিজের বাবার মোবাইলে।

বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ

সুমন চৌধুরি — মাংসটা না ঠিক মতো সিদ্ধ হয়নি। খাসির মাংস যদি এরকম হয় ..। —তা যা বলেছো। ফ্রায়েড রাইসটা কীরকম চাল চাল। আর এটা রাধাবল্লভি? ঠান্ডা ঠান্ডা চামড়া যেন।...