অণু গল্প: এক কাপ আদা-চা
এক কাপ সস্তার আদা–চায়ের এত ক্ষমতা? এভাবে ক্ষত–বিক্ষত করে দিতে পারে? টলোমলো পায়ে প্রবোধবাবু এগোলেন তাঁর ঘরের দিকে। অণু গল্প। জীবনের টুকরো টুকরো কিছু অনুভূতি। লিখেছেন বাসু মুখোপাধ্যায়।
মানিকদা বললেন, কাজটি না পেলে মন খারাপ কোরো না
দুই বিদায়ী মেয়রের গপ্পো
চিঠিটা কে কাকে লিখছেন? নিশ্চয় একজন পুর প্রশাসক লিখছেন পুরমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু কী আশ্চর্য! যে ছবিটা সামনে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, জিতেন্দ্র তেওয়ারি লিখছেন বিধায়কের প্যাডে। কোন চিঠিটা কোন প্যাডে লিখতে হয়, সেটুকুও বোঝেন না। এই বিদ্যেবুদ্ধি নিয়েই এতদিন আসানসোলের মতো শহরের মেয়র হয়েছিলেন।
রাজীবের সঙ্গে কোনও রফাসূত্রেই আর কাজ হবে না
কেন দল ছাড়তে চাইছেন? ক্ষোভ–বিক্ষোভ তো আছেই। কিন্তু তার থেকেও বড় কারণ অন্য। দেওয়াল লিখনটা তিনি পড়তে পারছেন। সরকার বদলের সম্ভাবনা না থাকলে কখনই দল বদলের কথা ভাবতেন না। ক্ষোভ–অপমান সহ্য করেই থেকে যেতেন। লিখেছেন হেমন্ত রায়।
আপনার বেড়ানোর কথা লিখে ফেলুন
এই জনরোষ যদি ব্যুমেরাং হয়ে ওঠে!
একদিন হিংসা ছড়ানোর এই প্রবণতাও ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে। আজ যাঁরা জনরোষের তত্ত্ব খাড়া করে গুন্ডামিতে ইন্ধন দিচ্ছেন, একদিন সেই জনরোষ হয়ত সত্যি সত্যিই তাঁদের ওপরেই আছড়ে পড়বে।লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
তাঁর সম্মতি ছাড়া সুদীপ্তর চিঠি গণমাধ্যমে পৌঁছে গেল!
বুদ্ধিটা যার মাথাতেই আসুক, মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া এমন একটা চিঠি ছড়িয়ে দেওয়ার সাহস কারও হতে পারে! আবার বলছি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ হয়ত ছিল না। কিন্তু সম্মতি ছিল না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।
সেই ভুল এই প্রথম স্বীকার করলাম
একটা ভুল, যা আজও বাবার কাছে স্বীকার করা হয়নি। সেটাই এবার স্বীকার করতে চান রাজীব মিত্র। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগের এই লেখাটাই পাঠিয়ে দিতে চান নিজের বাবার মোবাইলে।
