বাংলা আজও ছাত্র আন্দোলনকে ভুলে যায়নি

এই বাংলা অতীতে অনেক গৌরবময় ছাত্র আন্দোলনের কাহিনী দেখেছে। সেই ধারাটি আজও প্রবহমান। শুধু একটা স্ফুলিঙ্গ দরকার জ্বলে ওঠার জন্য, যা “সোমাশ্রী” বা “অনিকেত” দের হাতে জ্বলে উঠেছিল যাদবপুর ও মেডিক্যালে। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

২৯ জুলাই, লর্ড কার্জনের চোখে

(বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা জেনে নিলেন মযূখ নস্কর।

শারদ সংকলনঃ লেখা পাঠিয়ে রাখুন

গত বছরের মতো এবারও। বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রকাশিত হবে পুজোর অনেক আগেই।এখন থেকেই তার প্রস্তুতি। থাকবে অণু উপন্যাস, গল্প, অণু গল্প, ফিচার। সিনেমা, ভ্রমণ, খেলা নিয়েও থাকবে আকর্ষণীয় প্রতিবেদন।

উদাসী মনে মেঘদূত আর মেঘমল্লার

মাথার মধ্যে কবিগুরুর “মেঘদূত” ঝলকানি দিতে দিতে বলে গেল “মিলনের প্রথম দিনে বাঁশি কী বলেছিল। সে বলেছিল, সেই মানুষ আমার কাছে এল যে মানুষ আমার দূরের।” মোবাইলে আমার অজান্তেই কখন পান্ডোরা রেডিও চ্যানেলে উস্তাদ আমজাদ আলি খান মিঞা মল্লারের ঝড় তুলেছেন! লিখেছেন মধুজা মুখোপাধ্যায়।।

২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ীর চোখে

শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

মহালয়া! না করলেই পারতেন মহানায়ক

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।

বলিউডকেও কিন্তু পথ দেখিয়েছিলেন মহানায়ক

পথ দেখিয়ে গেছেন মহানায়ক। তিনি নিজে হয়ত হিন্দি ছবিরু দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা।

সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ:‌ স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ ভোলেবাবা যাওয়ার সেই স্মৃতি সেইসঙ্গে গঞ্জিকা সেবন করে নদীর পাড়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কাহিনি।

এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।

রাজ কাপুরের প্রস্তাব ফিরিয়েই ভুল করেছিলেন!

কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।