ভালো থাকুন, শানুদা

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় ফিচার নব্বইয়ের দশক। সেই সময়ের রাজনীতি, খেলা, সিনেমা, গান, সাহিত্য, প্রেম— সবকিছুকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। কীভাবে আলোড়ন তুলেছিল সেই সময়ের গান। স্মৃতির সরণি বেয়ে সেই কথাই তুলে আনলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।

‘‌উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে’‌ আরেক বাম বিধায়ক

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ আরও এক বাম বিধায়ক সামিল হলেন উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে। তিনি বাঁকুড়ার ছাতনা থেকে নির্বাচিত আর এস পি বিধায়ক ধীরেন্দ্রনাথ লায়েক। অনেকদিন ধরেই তাঁর দলবদল নিয়ে জল্পনা চলছিল। মাঝে...

বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিং

কুয়াশাঘেরা দার্জিলিংয়ের ছবি তো হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু এ যেন বরফের চাদরে ঢাকা দার্জিলিং। শিলাবৃষ্টি যে এমন সুযোগ এনে দেবে, কে জানত!

বিনয়ের কণ্ঠেও সেই গুরুংয়ের সুর

পাহাড়ে শান্তির কথা বলছিলেন বিনয় তামাং। কদিন যেতে না যেতেই মুখোশ খসে পড়ল। এখন হুঙ্কার ঝাড়ছেন, সাংসদ আলুয়ালিয়াকে পাহাড়ে উঠতে দেব না। কাকে খুশি করতে এই হুমকি?‌ ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ সত্যিই বড় ভয়ঙ্কর জিনিস। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

তরুণ মজুমদারকে দেখে বাকিরা যদি শিখতেন!‌

ফিল্ম পার্টিতে তিনি নেই। টিভি চ্যানেলে চ্যানেলে ঘুরে ইন্টারভিউ দেওয়ার খেলাতেও তিনি নেই। নিজের ছবি নিয়ে লম্বা চওড়া ভাষণ দেওয়াতেও নেই। তিনি জানেন, তাঁর ছবি দেখতে যাঁরা আসার, ঠিক আসবেন। তরুণ মজুমদারকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

হকির জাতীয় স্পন্সর!‌ পথ দেখাল ওড়িশা

কর্পোরেটরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল। এগিয়ে এল ওড়িশা সরকার। তারাই এবার জাতীয় হকি দলের স্পন্সর। ভারতীয় খেলায় ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা। এত বড় একটি সাহসী পদক্ষেপ, কোথাও কোনও আলোড়ন নেই। লিখেছেন সোহম সেন।।

নীলাচলে কীরীটী, প্রথমটা ঠিকঠাক, তারপরই গাঁজাখুরি

স্বনাম গুপ্ত প্রথমেই অকপটে স্বীকার করে নেওয়া ভাল, নীহাররঞ্জন গুপ্তর কোনও উপন্যাসই আমি পড়িনি। স্বভাবতই কীরীটী রায়ও পড়িনি। তাই সাহিত্যের সঙ্গে সিনেমায় কী কী ফারাক, তালিকা দিতে পারব না। সিনেমাটাকে...

ধর্মতলায় ধর্মীয় সমাবেশ নিষিদ্ধ হোক

ধর্মীয় সমাবেশ মানেই অন্য ধর্মের নামে গাল পাড়া, হিংসা ছড়ানো। নিজেদের ধর্মের জন্য এঁরা কী করেছেন?‌ বন্যার সময় তো এদের দেখা যায় না। হাসপাতালে দুঃস্থ রোগীদের পাশেও দেখা যায় না। অভাবী পড়ুয়াদের পাশেও এঁরা নেই। তাহলে এঁদের কথা শুনব কেন?‌ লিখেছেন সুখরঞ্জন মজুমদার।।

বিন্দুকে দেখা

পাহড়ের ঘন সবুজ বনের মাঝে চোখ আটকে যাচ্ছিল রঙ-বেরঙের ফুলের দিকে। ভালো লাগছিল, খুব নিচ-দিয়ে বয়ে যাওয়া জলঢাকা নদীর আঁকা-বাঁকা গতিপথ। যে পথ, আমাদের সঙ্গে-সঙ্গেই এগিয়ে চলেছে বিন্দু দিকে। এভাবেই ধরা দিল ডুয়ার্স। সুনীপা দত্তর লেখনিতে।