নতুন বিভাগ: আমার প্রিয় ছবি
শুরু হচ্ছে নতুন বিভাগ— আমার প্রিয় ছবি। আপনার প্রিয় ছবি নিয়ে লিখবেন আপনি। সেই ছবি সাতের দশকের হতে পারে, নয়ের দশকের হতে পারে। কয়েক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবিও হতে পারে। সেইসব ছবিকে নিয়ে আপনার নস্টালজিয়ার কথাও উঠে আসতে পারে।
শুরু হচ্ছে নতুন বিভাগ— আমার প্রিয় ছবি। আপনার প্রিয় ছবি নিয়ে লিখবেন আপনি। সেই ছবি সাতের দশকের হতে পারে, নয়ের দশকের হতে পারে। কয়েক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবিও হতে পারে। সেইসব ছবিকে নিয়ে আপনার নস্টালজিয়ার কথাও উঠে আসতে পারে।
তাঁর জন্য কোনও ফুল দরকার নেই। লোক দেখানো শ্রদ্ধার দরকার নেই। এমনকি গান স্যালুটও দরকার নেই। শববাহী গাড়িতে কোথাও কোনও ফুলের চিহ্ন নেই। মৃতদেহ যেন হাইজ্যাক না হয়, জীবদ্দশাতেই সেই ব্যবস্থা করে গেলেন। মৃত্যুর পরেও কী চরম বার্তা দিয়ে গেলেন মৃণাল সেন!
স্বাধীন ভারতে কার ছবি প্রথম নিষিদ্ধ হয়েছিল? উত্তর হল মৃণাল সেন। যদিও দু মাস পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল ভারত সরকার। সেই ছবির কথাই উঠে এল ভুবন সোমের কলমে।
এক সময় সবাই বুঝতে পারবেন, ছবিটি কারা বানিয়েছেন, কী উদ্দেশে বানিয়েছেন। তাই অযথা পাবলিসিটি দেওয়ার মানেই হয় না। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া নয়। উপেক্ষাই সেরা রাস্তা। এই সার সত্যিটা দ্রুত বুঝতে পেরেছেন রাহুল গান্ধী। বোঝালেন, তিনি অন্তত প্রধানমন্ত্রীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্বশীল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
লোকসভা নির্বাচনে বামেদের অবস্থান কী হওয়া উচিত? কংগ্রেসের সঙ্গে জোট? নাকি নিজেদের শক্তিতে লড়াই। এই নিয়ে সুস্থ রাজনৈতিক বিতর্ক বেঙ্গল টাইমসে। রোজ একটি বা দুটি করে লেখা প্রকাশিত হবে। আজ লিখলেন শিক্ষক সুমন ভট্টাচার্য।
বারো বছর পর নাকি দার্জিলংয়ে বরফ পড়ল। তাহলে গত কয়েক বছরে যে এত এত বরফের ছবি আর হেডিং ছাপা হল, সেগুলোর কী হবে? ভুয়ো ডাক্তারের মতো ভুয়ো হেডিং? পাহাড়ের বরফ নিয়ে চারিদিকে কত সেলফি, কত আদিখ্যেতা। এই সুযোগে হাওয়া অফিস আর কাগজওয়ালাদের একহাত নিলেন চিরনিন্দুক নন্দ ঘোষ। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।
বন্ধ সিনেমা হল নয়, এবার বৃদ্ধের অবলম্বন একটা পুরনো গ্রামোফোন রেকর্ড। সারাদিন বেজে চলে কলের গান। ফেলে আসা দিনে উঁকি মারা। সিনেমাওয়ালার পর নতুন এক চ্যালেঞ্জের সামনে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়।
মরুভূমি ঘোরা হয়ে গেছে। পাহাড়ের বরফ দর্শনও হয়ে গেছে। এবার কাকাবাবুর ঠিকানা জঙ্গল। তাও এ দেশের নয়, একেবারে আফ্রিকার জঙ্গল। এবার পুজোয় কাকাবাবুর জঙ্গল অভিযান। সঙ্গে অবশ্যই সন্তু।
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রকাশ পেল দাদার কীর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তরুণ মজুমদার জানিয়ে দিলেন, তিনি ছবি করতে চান। ছবিও হয়ে গেল। অজানা কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
ছবির নাম ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার।’ ছবির চিত্রনাট্য কেমন, আগাম বলে দেওয়া যায়। মনমোহন কতটা অক্ষম–অযোগ্য, গান্ধী পরিবার কীভাবে ছড়ি ঘোরাতো। অর্থাৎ, মোদিবাবু বুক ফুলিয়ে যা যা বলে থাকেন। ভোটের আগে এমন একটি ছবিকে বাজারে আনতে হল। উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার। লিখেছেন ধীমান সাহা।