আর কোনও ভোকাল টনিকে তাঁর ঘুম ভাঙবে না

(‌এখন চলছে কনফেডারেশন কাপ। আন্তর্জাতিক ফুটবলের চর্চায় মগ্ন বাঙালি। গত বছর এমন সময় ছিল ইউরো কাপের ফাইনাল। বিদায় নিয়েছিলেন অমল দত্ত। মৃত্যুর ঠিক আগে, তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। কিংবদন্তি কোচের মৃত্যুর এক বছরে সেই লেখাটি আবার তুলে ধরা হল। )‌

ভাগ্যিস তিনি দ্রোণাচার্য পাননি

(‌নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল একটা বছর। কিংবদন্তি কোচ অমল দত্তর মৃত্যুর এক বছর। কত প্রতিশ্রুতি, কোথায় যে হারিয়ে গেল!‌ তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত একটি লেখা তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।)‌

ফেসবুকে আপনার বন্ধু আসল না নকল?‌

ফেসবুকে নানা ফেক প্রোফাইল। তারাই কেউ বন্ধুত্বের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে। কেউ হয়ত নিছক মজা করছে। আপনিও ফাঁদে পা দিচ্ছেন। কীভাবে বুঝবেন, কোন আইডি-টা আসল, আর কোনটা নকল ? কয়েকটা উপায় বাতলে দিলেন সুমিত চক্রবর্তী।

ভ্যান গঘ নিশ্চয় ওপর থেকে ঈর্ষা করছেন

আবার দিদিমণি ছবি এঁকেছেন। দিয়ে এসেছেন নেদার‌্যান্ডসে, ভ্যান গঘের দেশে। ছবি নিয়ে হইচই। সেই ছবি নাকি বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। সেই ছবি নিয়েই লিখলেন রবি কর।।

এ প্রজন্ম দুর্ভাগা, তারা মন্দাকিনীকে পেল না

আশির দশকের সানি লিওন কে?‌ একমুহূর্তও না ভেবে বলে দেওয়া যায়, মন্দাকিনী। তাঁকে নিয়ে কত কিশোরের কত সপ্নের সাম্রাজ্য। আশির দশকে এবারের লেখা সেই মন্দাকিনীকে নিয়ে। লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।

আপনি না থাকলেও আপনার চোখ দুটো থাকবে

আপনার চোখ দুটি বেঁচে থাকতে পারে অন্যের চোখে। সেই চোখ দুটি পৃথিবীর আলো দেখবে আপনার মৃত্যুর পরেও। আরও অনেক অঙ্গ, যা অন্যদের দিয়ে যেতে পারেন। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন।

ছিল অন্যের গান, হয়ে উঠল কিশোরের গান

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। কার গান?‌ অনেকে বলবেন, কিশোর কুমার। আসলে, গেয়েছিলেন শ্যামল মিত্র। এমন অনেক অন্যদের গান হয়ে উঠেছে কিশোরের গান। তাই নিয়ে তথ্যনির্ভর লেখা। লিখলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

এখন যদি একটা ভিপি সিং থাকতেন!‌

প্রচারের ঢক্কানিনাদ ছিল না। আমিত্বের বড়াই ছিল না। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য হিংসা ছড়ানো ছিল না। এক লহমায় ছুঁড়ে ফেলতে পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রিত্ব। আশির দশকে এমন একজন ভিপি সিং ছিলেন। এই প্রজন্ম সত্যিই দুর্ভাগা, তাঁদের সামনে কোনও ভিপি সিং নেই। লিখেছেন ইন্দ্রজিৎ দাশগুপ্ত।

‘‌৩৪ বছর’ এর সূচনা হয়েছিল এই দিনেই

২১ জুন। হ্যাঁ, সাতাত্তরের এমন দিনেই শুরু হয়েছিল পথ চলা। সেই ৩৪ বছরের পথচলা। সেই দিনটিকে ফিরে দেখা। লিখলেন শুভঙ্কর গুপ্ত।।

বোঝা গেল তোদের ব্রেকিং নিউজের দৌড় কতদূর

অধিকাংশ সর্বভারতীয় চ্যানেল এমন ভান করে, যেন তারা সরকারের কতই ঘনিষ্ঠ। সারাক্ষণ ব্রেকিং নিউজ, ব্রেকিং নিউজ করে চিৎকার। কিন্তু রাষ্ট্রপতি কে হবেন?‌ এই প্রশ্নে সবাই কুপোকাত। বোঝা গেল এদের ব্রেকিং নিউজের দৌড় কতদূর। নন্দ ঘোষের কড়চায় ফের স্বমহিমায় নন্দ ঘোষ।।