সকালে ভানু, বিকেলে উত্তম। একইদিনে বেঙ্গল টাইমসে দুই সাক্ষাৎকার। ভানু বলেছিলেন, ইস্টবেঙ্গলের জার্সি বদলাতে বললে নীতা আম্বানিরে জীবন্ত যমালয়ে পাঠাইয়া দিমু। মহানায়ক আবার মোহন–সমর্থক। তিনি আবার জিও মালকিনকে যমালয়ে আসতে দেবেন না। কেন? সেই কাল্পনিক সাক্ষাৎকার তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।
ইস্টবেঙ্গল নাকি আই এস এল খেলবে। একগুচ্ছ শর্ত পাঠিয়েছে রিলায়েন্স। তার মধ্যে একটা হল, লাল হলুদ রঙ বদলাতে হবে। জার্সি হবে অন্য রঙের। মনে পড়ে গেল ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। তিনি যদি থাকতেন, এই আজগুবি প্রস্তাবকে কীভাবে দেখতেন। হয়ে গেল একটা কাল্পনিক সাক্ষাৎকার। নিজেই প্রশ্ন করলেন। ভানুর জাবনিতে নিজেই উত্তর খুঁজলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
২০০৭ এ কেন রাষ্ট্রপতি করা হয়নি প্রণব মুখার্জিকে? একান্তে সোনিয়া গান্ধী ডেকে কী বলেছিলেন? ২০১২ তে কার ওপর রাগ করে প্রণববাবুকে মেনে নিয়েছিলেন? এমনই অজানা কাহিনী উঠে এসেছে মিডিয়া সমাচার বিভাগে। পড়ুন, চাইলে সেই লেখার লিঙ্কও পড়ে নিতে পারেন।
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
কোথায় গেল সুমনের সেই বিপ্লব! একের পর এক লোপ্পা বল দিয়ে গেলেন। দিদিমণিও মনের সুখে রান করে গেলেন। ক্রিকেটের স্পট ফিক্সিংয়ের মতোই একটা ইন্টারভিউ। বোঝা গেল, শুধু মোদিবাবু বা সিবিআই নয়, আনন্দবাবুদের সঙ্গেও দিব্যি সেটিং করা যায়। লিখেছেন বিপ্লব গুপ্ত।।
রাহুল বিশ্বাস এমন একটা দিনেই সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শচীন তেন্ডুলকার। তাঁর ঝুলিতে ততদিনে অনেক রেকর্ডই এসে গিয়েছে। শুধু একটাই আক্ষেপ, বিশ্বকাপটা নেই। চার বছর আগে, ২০০৩ এ ঠোঁট আর চায়ের...
একটি এঁড়ে বাছুর হল। নাম রাখতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এমন আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখলেন রাজ্যের এক মন্ত্রী। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন। মিডিয়া সমাচারে সঙ্গে দেওয়া হল খবরের লিঙ্ক।
হঠাৎ পুলিশ তৎপর হয়ে উঠছে অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে। কেডি সিং এখন খুব খারাপ। আর সহব জেনেশুনেও যাঁরা তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠালেন, তাঁরা খুব ভাল। লিখেছেন মৃন্ময় নাথ।।
শাহবাগ আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে কিন্তু বামপন্থীরাই মিছিল করেছিলেন। অভিজিৎ রায় ও অন্যান্য ব্লগারদের হত্যার বিরুদ্ধেও বামেরাই মিছিল করেছিলেন। তখন কিন্তু অন্যদের দেখা যায়নি। তখন কিন্তু অন্যদের দেখা যায়নি। মনে করিয়ে দিলেন সৌম্যদীপ ব্যানার্জি।।
যাঁরা অনেকদিন রবীন্দ্র সদন বা নন্দন চত্বরে যাননি, একবার ঘুরে আসুন। তাহলেই জানতে পারবেন এই সব ভবন কে নির্মাণ করেছেন। ফলক দেখে চমকে যাবেন না। লিখেছেন রবি কর।।