মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

কোথায় হারিয়ে গেলেন সেই সর্দারজিরা ?

শহর ঝাঁ চকচকে হবে। আরও ফ্লাইওভার হবে। ওলা-উবেরের পরিষেবা আরও ছড়িয়ে যাবে। কিন্তু সর্দারজি ড্রাইভাররা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছেন। দুর্নীতি ভরা এই শহরে তাঁদের দেখলেও কিছুটা তৃপ্তি পেতাম। কলকাতা, ওঁদের ছাড়া তুমিও কি ভালো থাকতে পারো ? সর্দারজি ট্যাক্সিচালকদের নিয়ে লিখলেন দিব্যেন্দু দে।

সেই ভুল এই প্রথম স্বীকার করলাম

একটা ভুল, যা আজও বাবার কাছে স্বীকার করা হয়নি। সেটাই এবার স্বীকার করতে চান রাজীব মিত্র। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগের এই লেখাটাই পাঠিয়ে দিতে চান নিজের বাবার মোবাইলে।

বনধে কর্মদিবস নষ্ট হয়, মিছিলে হয় না?‌ 

আবার বনধ ডাকল বামেরা। কী দরকার ছিল বাপু? এই সময় কেু কর্মদিবস নষ্ট করে? দিদিকে দেখুন, ওইদিন তিনি লাখ মানুষকে নিয়ে রাজপথে মিছিল করবেন। মনে রাখবেন, মিছিলটা মহান কর্ম। দিদি কখনও কর্মদিবস নষ্ট করতেই পারেন না। লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।

কোনও বুদ্ধিজীবীর নজরে পড়ল না!

নন্দন চত্বরে বুদ্ধিজীবী গিজগিজ করছে। কারও নজরে পড়ল না ? নন্দন থেকে রবীন্দ্রসদন, শিশির মঞ্চ থেকে তথ্যকেন্দ্র- সবই নাকি তিনি বানিয়েছেন। সবই নাকি তিনি উদ্বোধন করেছেন। অন্তত ফলক তাই বলছে। বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন ? লিখেছেন রবি কর।

ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী

অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।

ট্রেনের আড্ডায় মহানায়ক ও পিকে

উত্তম কুমারকে নিয়ে তাঁর অনেক স্মৃতি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, আড্ডায় মাঝে মাঝেই বলতে শোনা যায়। ট্রেনের এক সকালের স্মৃতি মেলে ধরলেন পি কে ব্যানার্জি।

খাজুরাহোঃ অশ্লীল নয়, অলৌকিক

তোর্সা চ্যাটার্জি কোনও ঐতিহাসিক শহর, যত নিরিবিলি হয় ততই ভালো। ধরুন দিল্লি বেড়াতে গেছেন। কাবুলি দরওয়াজার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবার চেষ্টা করছেন, এই জায়গাতেই বাহাদুর শাহ জাফরের পুত্রদের খুন করা হয়েছিল,...

এমন বিজ্ঞাপন যেন ঝিনুকের মাঝে মুক্তো

বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ- মিডিয়া সমাচার। মিডিয়া সবার খবর তুলে ধরে। কিন্তু তার নিজের খবর আড়ালেই থেকে যায়। এই বিভাগে উঠে আসবে সেইসব অজানা খবর। আজ অভিনব একটি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে লিখছেন রাহুল বিশ্বাস।।