এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।
নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।
বর্ষায় অনেকে পাহাড় এড়িয়ে যান। কিন্তু বর্ষাতেও পাহাড়ের আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে। আগের বর্ষায় হিমাচলে গিয়ে সেই অনুভূতিই মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরি।
হঠাৎ নন্দ ঘোষ জানতে পারলেন, বিভূতিভূষণের জন্মদিন। অনেকেই শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। কিন্তু নন্দ ঘোষ তো আবার প্রশংসা করতে পারেন না। তাহলে কী করে শ্রদ্ধা জানাবেন? নিজেই নিজের রাস্তা খুঁজে নিলেন। বিভূতিভূষণের জন্মদিনে তিনি বেছে নিলেন এক চিত্র পরিচালককে।
তখন তাহারা নির্জন দুপুরে, মায়ের পাশে শুইয়া চাঁদের পাহাড় পড়িত। যাহারা পড়িতে শেখে নাই, তাহাদের মায়েরা দিদি নাম্বার ওয়ান না দেখিয়া সন্তানকে পড়িয়া পড়িয়া শোনাইতেন।
বিভূতিভূষণের জন্মদিনে একেবারে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
সিঙ্গুরকে সিলেবাসে আনতে চান? সরকার চাইলে কী না হয়! ইতিহাসে মমতা-বন্দনা এল বলে। প্রতি বছর হয়ত তা থেকে প্রশ্নও আসবে। কিন্তু এটাই আগামীদিনে ব্যুমেরাং হয়ে যাবে না তো? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
সপ্তাহে একদিন টিভিতে বাংলা সিনেমা। জুলাই মানে উত্তম-মাস। তেমনই একদিন লোডশেডিং। তারপর কী ঘটল ? পড়ুন স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে।
জন্মদিনে মহানায়ককে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। উত্তম কুমারকে নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে বিশেষ ই ম্যাগাজিন- মহানায়ক, তোমারে সেলাম। তাঁর অভিনয় জীবন, ব্যক্তিজীবনের নানা অজানা দিক উঠে আসবে।
(বিস্তারিত জানতে পড়ুন)
ধর্মঘটকে সমর্থন করি না। কিন্তু ধর্মঘট ভাঙার জন্য যা যা হচ্ছে, সেটা আরও নিন্দনীয়। জমির ক্ষেত্রে ইচ্ছুক-অনিচ্ছুক নিয়ে এত সোচ্চার। দোকান খোলা- না খোলার ক্ষেত্রেও ইচ্ছুক-অনিচ্ছুক দেখা হোক। ওপেন ফোরামে লিখেছেন মিন্টু রায়।