বিকিয়ে যাওয়ার মাঝে নিঃশব্দ প্রতিবাদের অজানা মুখ
একদিকে বিকিয়ে যাওয়ার লাইন। অন্যদিকে নিঃশব্দ প্রতিবাদ। তাঁরাই হয়ে উঠতে পারেন প্রতিবাদের মুখ। কিন্তু তাঁদের কি আমরা চিনি ? এমনই এক বর্ষীয়াণ মহিলার নিঃশব্দ লড়াই উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর প্রতিবেদনে।
একদিকে বিকিয়ে যাওয়ার লাইন। অন্যদিকে নিঃশব্দ প্রতিবাদ। তাঁরাই হয়ে উঠতে পারেন প্রতিবাদের মুখ। কিন্তু তাঁদের কি আমরা চিনি ? এমনই এক বর্ষীয়াণ মহিলার নিঃশব্দ লড়াই উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর প্রতিবেদনে।
শান বা বাবুলের বাংলা গান শুনুন। আর লতার বাংলা গান শুনুন। কাকে বেশি বাঙালি মনে হবে ? বাঙালি না হয়েও এঁদের তুলনায় তিনি ঢের বেশি বাঙালি। এই নিয়ে লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।
সকাল থেকেই রেডিওতে লতা মঙ্গেশকারের গান। শুনে ফেলেছেন নন্দ ঘোষ। তাঁর দাবি, লতাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করা হয়। তাই নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, কার ঘাড়ে কটা মাথা ? অতএব, তিনি বেসুরো গেয়েই ফেললেন। পড়ুন।
কলকাতায় এক মঞ্চে লতা আর আশা ! হ্যাঁ, বছর পাঁচেক আগে এমনটাই ঘটেছিল। সেই স্বর্ণালী সন্ধ্যার স্মৃতি উঠে এল অভিরূপ অধিকারীর লেখায়।
মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। লতা মঙ্গেকারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে ।।
পনেরোই আগস্ট এলেই বেজে ওঠে এই গান। লতা মঙ্গেশকার যেখানেই অনুষ্ঠান করুন, এই গানের আবদার আসবেই। লতার জন্মদিনে তেমনই এক গানের কথা তুলে আনলেন বৃষ্টি চৌধরি।
প্রায় একদশক মুম্বইয়ে কেটে গেল। দেশ বিদেশে যে কোনও অনুষ্ঠানেই আসে লতাজির গানের অনুরোধ। এত শিল্পীর সঙ্গে অনুষ্ঠান করেছেন। লতা-আশাকে সম্পর্কে তাঁর অনুভূতি মেলে ধরলেন বিশিষ্ট গায়িকা কেকা ঘোষাল।।
(মঙ্গলবার ছিল বিশ্ব পর্যটন দিবস। কীভাবে তুলে ধরা যায় আমাদের উত্তর বাংলার পর্যটনকে। সেই নিয়ে লিখলেন তিস্তা ঘোষাল। )
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
বিদ্যাসাগর বলতেই মনে আসে সমাজ সংস্কারের কথা। আসে বর্ণ পরিচয়ের কথাও। কিন্তু বাংলা গদ্যকে কতখানি সাবলীল করেছিলেন, সে কথা আড়ালেই থেকে যায়। সেই আঙ্গিক থেকে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানালেন অন্তরা চৌধুরী।