রবি কর
সাংবাদিকতা করে যে সংসার চলছে না সে কথা তো আগেই আপনাদের জানিয়েছি। ভাবছি, সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে একটা বুদ্ধিজীবী ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট খুলব। সেই পরিকল্পনার কথাও আপনাদের আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন, তা এখনও জোগাড় করে উঠতে পারিনি। ঠিক মতো মুরগি, মানে স্পনসর পেলে এক বছরের মধ্যে বুদ্ধিজীবী ম্যানেজমেন্টের কোর্স চালু করে দেব। কিন্তু যতদিন না তা হচ্ছে, ততদিন পেট চালাব কী করে? জানার জন্য একটা সাপ্তাহিক পত্রিকা কিনলাম। সেখানে এবারের প্রচ্ছদ কাহিনী, ‘১৪২২ বঙ্গাব্দ কেমন যাবে?’ প্রতিবারই বাংলা নববর্ষের আগে আগে এই পত্রিকা এমন একটি সংখ্যা বের করে। কোনওবার কিনি না। এবার, যেহেতু ভবিষ্যৎ নিয়ে টেনশনে আছি, ভাবলাম একটা কিনে ফেলি। কিন্তু বই খুলে আমার চক্ষু চড়কগাছ!
আমার তো মেষ রাশি। বইয়ে লেখা আছে, এবছর আমার কোনও বড় ধরনের রোগভোগের আশঙ্কা নেই। এদিকে আমার ছেলের মিথুন লগ্ন, তার নাকি পিতৃবিয়োগ যোগ আছে। টোটাল কনফিউজড হয়ে গেলুম। তবে কি রোগভোগ না করেই মরে যাব ? দুর্ঘটনা ? মাওবাদি হামলা ? ‘জন্মিলে মরিতে হবে।’ তাই বলে এত তাড়াতাড়ি? এক বছরের মধ্যেই ? ওদিকে আরেক কেলো! আমার বউয়ের রাশিতে লেখা আছে (কী রাশি বলতে বউ মানা করে দিয়েছে। বয়সের মতোই এটাই নাকি গোপনীয় ব্যাপার।) দাম্পত্য কলহ বৃদ্ধি পাবে। কলহ তো বিয়ের পর থেকেই করছে, কিন্তু আমি মরে গেলে কলহটা করবে কার সঙ্গে ? বইয়ে কি তবে ভুল লেখা আছে?
কিছু বুঝতে না পেরে গেলুম এক জ্যোতিষীর কাছে। কাক সচরাচর কাকের মাংস খায় না। তাই, তিনি সব দেখে বললেন, বইয়ে ঠিকই লেখা আছে। রোগভোগের আশঙ্কা নেই। তুমি মরবেও না। বউয়ের সঙ্গে কলহও হবে।
– কিন্তু ছেলের যে পিতৃবিয়োগ যোগ?
– আরে, এই সহজ সত্যটা বুঝছ না! তুমি ওর আসল বাবা নও। যে আসল বাবা সে মারা যাবে।
সর্বনাশ! তবে কি আমার বন্ধুভাগ্যে পুত্রলাভ হয়েছে?
খুব জোর আঘাত পেলে মানুষের বুদ্ধি খুলে যায়। আমার হল তাই। ঠিক করলাম, অত খাটাখাটনি করে বুদ্ধিজীবী ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট খোলার দরকার নেই। কার জন্য করব? কে বউ? কার ছেলে? তার থেকে জ্যোতিষীগিরি করব। কাঁচা পয়সা মশাই! লাগে তুক না লাগে তাক। ডাক্তার মার খায়, মাস্টার মার খায়, কিন্তু জ্যোতিষীর মার খাবার রিস্ক নেই। ইনকাম ট্যাক্সের বালাই নেই। মাথার ওপর বেঙ্গল টাইমসের বেরসিক সম্পাদক নেই।
বেঙ্গল টাইমস দিয়েই জ্যোতিষীগিরির বউনি করলাম। চিরাচরিত জ্যোতিষের সঙ্গে এর কোনও মিল নেই। রাশির নামের সঙ্গে জাতকের চরিত্র মিলিয়ে এই ভবিষ্যৎবাণী করা হল।
মেষঃ মেষ অর্থাৎ ভেড়া। আগামী বছরে এই রাশির জাতকদের ভাগ্যে কোনও পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ১৪২২ বঙ্গাব্দের শুরুতেই রাজ্য জুড়ে প্রায় ১০০টি পুরসভায় নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ভোটার হিসাবে মেষ রাশির জাতকরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন। এদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে বিভিন্ন ধর্মগুরু, জ্যোতিষী, পীর ঠাকুরদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে হেলমেট ব্যাবহার করতে পারেন। তবে দীর্ঘ অভ্যাসের ফলে এদের মাথাই হেলমেটের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে। তাই অধিক দুশ্চিন্তার কারণ নেই।
বৃষঃ বৃষ অর্থাৎ ষাঁড়, অর্থাৎ bull । নামের আগে আরা যোগ করে রাজনিতিতে উন্নতি করতে পারবেন। জগ ছোড়া, লোক পেটানোর কাজে পারদর্শীতা দেখা যাবে। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য ভাঙড় অঞ্চলকে কর্মস্থান হিসাবে বেছে নিন। দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও হতাশ হবেন না। কারণ, শীর্ষ নেতৃত্বের হাত আপনার মাথায় থাকবে। তবে মাঝে মাঝে পিসি বা ভাইপোর মিছিলে চুপি চুপি লোক সাপ্লাই করতে হবেই, এই যা। লোক আপনার, ট্রাক আপনার, কিন্তু কৃতিত্ব অন্য লোকের। এটুকু সংযম দেখাতে হবে। তবে ‘চেলা’ হিসেবে ‘গুরুর’ কাছে মাঝে মাঝে চলে গেলে কাগজে ছবি ঠিক বেরিয়ে যাবে। বহিষ্কৃত হবার ঝুঁকি এড়াতে চাইলে বীরভূমে ভাগ্য পরীক্ষা করুন। অক্সিজেন কমের রোগে আক্রান্ত হলেও দক্ষ সংগঠক হিসাবে সুনাম করবেন। জগ ছোঁড়া, বোমা মারা, আগুন লাগানো প্রভৃতি কাজে রাজ্যব্যাপী খ্যাতিলাভের সম্ভাবনা।
মিথুনঃ এই রাশির কথা উঠলেই মৈথুন শব্দটির কথা মনে পড়ে। মৈথুনের অধিকার সব রাশির সব জাতকেরই। মিথুন রাশির জাতকরা প্রয়োজনে সেই অধিকার ছিনিয়ে নিতে জানেন। আগামী বছর এই রাশির জন্য অত্যন্ত ফলদায়ক হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনে তাপস পালের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এলাকায় বিরোধী দলের কোন কোন সমর্থকের ঘরে মেয়ে বউ আছে খেয়াল রাখুন। ‘বিশেষ কাজের’ জন্য তিনি অনেক ছেলে পাঠাবেন। সামনাসামনি থআকলেই ডাক পড়বে। প্রতিবাদীদের মাওবাদী প্রমাণ করার জন্য আগে থেকে কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন। তবে মিশনারিদের দিকে হাত বাড়াবেন না। আন্তর্জাতিক চাপে ফেঁসে যেতে পারেন। পার্ক স্ট্রিটকে কর্মস্থল হিসাবে বেছে নিলে দুবাই পালাবার আগাম টিকিট কেটে রাখুন।
কর্কটঃ অর্থাৎ কাঁকড়া। এই রাশির জাতকদের বছরটা ভালো যাবে না। অন্য কেউ উন্নতি করলে তাঁর ঠ্যাঙ ধরে টানার জন্য এই রাশি বিখ্যাত। কিন্তু কার ঠ্যঙ ধরে নামাবেন ? সুদীপ্ত সেন জেলে যাবার পর বঙ্গসমাজে তেমন কে আছেন, যাঁর ঠ্যাঙ ধরে টানা যায়। ছিলেন একজন ব্যাকুল রায়, তাঁকে অবশ্য আপাতত নামানো গেছে। আর তো কেউ নাম্বার টু হতে চাইবেন না। তাই ঠ্যাঙ ধরে নামানোর লোকও পাওয়া যাবে না। তাই কর্কট রাশির জাতকরা কর্মহীনতায় ভুগছেন। আগামী বছরে এই কর্মহীনতা আরও বাড়বে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কারও পা টানার উপযুক্ত নয়। কিন্তু তিনিই নিজেই নিজের পায়ে টান দেবার পক্ষে যথেষ্ট।
কন্যাঃ সব মিলিয়ে বছরটি শুভ। নামের শেষে শ্রী যোগ করলে রাজকোষের অর্থ লাভ করার যে যোগ গত কয়েক বছর ধরে চলছে, তা এ বছরও বজায় থাকবে। এই বছরে অর্থের পরিমাণ কিছুতা বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু রাজ্যের ভাগ্যাকাশে আত্মপ্রচারের ঘনঘটা চলায় অর্থের পরিবর্তে হাতের বালা পাবেন। এর পাশাপাশি জঙ্গলমহলের জাতকরা (জাতিকারা) সাইকেলও পেতে পারেন। যারা অর্থ-বালা-সাইকেল কিছুই পাবেন না, তাঁরা বাহামনি চরিত্রের জন্য চেষ্টা করতে পারেন। কারণ, নতুন বাহামনি ঠিক জমাতে পারছে না। অভিনেত্রী বদল হলে কোনও না কোনও কন্যার ভাগ্য শিকেয় ছিঁড়বে। বিধানসভায় সিরিয়াল থেকে অনেক কোটা থাকবে। তবে নির্জন রাস্তায় চলাফেরা করলে ‘সাজানো ঘটনার’ শিকার হতে পারেন। সতর্ক থাকবেন।
সিংহঃ পশ্চিমবঙ্গে এই রাশির জাতকদের বছরটা ভালো যাবে না। এদের মধ্যে যাঁদের নাম রাহুল, তার ক্ষমতার সাধ অপূর্ণই থাকবে। যাঁদের নাম সিদ্ধার্থনাথ তাদের কথাবার্তা আরও গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। গুজরাতে সিংহ আছে, তাই সে রাজ্যে এই রাশির জাতকদের ভাগ্য প্রসন্ন থাকবে। কিন্তু এই রাজ্যে তাঁরা আক্ষরিক অর্থেই বিপন্ন এবং বিলুপ্তপ্রায়। গতবছর যে বাড়বাড়ন্ত দেখা দিয়েছিল, এবছর তা হ্রাস পাবে। মিসড কল দিয়ে কেউ নিজেকে সিংহ বলে দাবি করবে না। সদর দপ্তরের সামনে মারামারি করার লোক পাওয়া যাবে না।
তুলাঃ অর্থাৎ দাঁড়িপাল্লা। বামফ্রন্টের তাত্বিক নেতা হিসাবে এই রাশির জাতকরা বিখ্যাত হবেন। বাঁদরের পিঠে ভাগের মতো এঁরা কংগ্রেস ভালো না বি জে পি ভালো না সমদূরত্ব বজায় রাখা ভালো সেই নিয়ে মার্ক্সীয় দাঁড়িপাল্লায় ওজন করতে থাকবেন। করতে করতে পিঠে শেষ হয়ে যাবে, দাঁড়িপাল্লা ক্ষয়ে যাবে তবু ওজন শেষ হবে না। সাংগঠনিক ব্যর্থতা এবং নির্বাচনে রক্তক্ষরণের নিত্যনতুন কারণ বের করে এঁরা নিজের পাড়ায় হাস্যকর ও শ্বশুরবাড়িতে বিস্ময়কর হয়ে উঠবেন। ভোটের হার কমলেও ফেসবুকে ইহাদের ফ্রেন্ডলিস্ট দীর্ঘতর হবে।
বৃশ্চিকঃ রহস্য রোমাঞ্চ ঔপন্যাসিক জটায়ু লিখেছিল ‘মরুভূমির বৃশ্চিক’। অর্থাৎ কাঁকড়াবিছে। অর্থাৎ বিচ্ছু। গত কয়েক বছর বাংলাতেও এই বিচ্ছুদের রমরমা শুরু হয়েছে। আগামী বছরে তাদের কামড়ে নাগরিক সমাজে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠবে। ইট, বালি, সিমেন্টের সিন্ডিকেট ব্যবসা এবং তোলাবাজিকে জীবিকা হিসাবে বেছে নিলে এই রাশির জাতকদের উন্নতি হবে। বিরোধী দল নামক কেতু এবং সুশীল সমাজ নামক রাহু কুপিত হলেও পুলিশ নামক বৃহস্পতি প্রসন্ন থাকায় ক্ষতির সম্ভাবনা কম। ব্যবসায় উন্নতির জন্য ডান হাতের মধ্যমায় এক পলা জোড়া ফুল ধারন করুন।
ধনুঃ এই রাশির জাতকরা জ্ঞানে ধনুর্ধর হবেন। পৃথিবীর সব বিষয়ে এঁদের জ্ঞান থাকবে। জ্ঞান না থাকলেও তর্কে অজেয় হবেন। স্বভাবে এঁরা হবেন বিশ্বনিন্দুক। সকল কাজে, সকল দিকে, সবার দিকে ধনু তাক করবেন। পেশা হিসাবে সাংবাদিকতাকে বেছে নিলে আগামী বছরে এঁদের প্রচুর উন্নতি হবে। বিশেষ করে বেঙ্গল টাইমসে এঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখা যাচ্ছে। মিডিয়ায় চান্স না পেলেও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দীর্ঘ লেখা পোস্ট করে এঁরা খ্যাতি অর্জন করবেন। সেই সব লেখা কেউ না পড়লেও প্রচুর লাইক পড়বে।
মকরঃ মকরের সম্মুখ ভাগ হাতি, পশ্চাৎ ভাগ তিমি। অর্থাৎ মকর একটি দোআঁশলা প্রাণী। আজজলে থাকে তো কাল স্থলে। এই রাশির জাতকরাও অনায়াসে একবার এদল, একবার ও দল করতে পারবেন। টলিউডের নায়ক, রিমেক গায়ক ও দাড়িমুখো কবি হিসাবে জীবনে উন্নতি লাভ করবেন। ক্ষমতাসীন দলের কাছাকাছি থাকলে এঁরা কর্মক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি করতে পারবেন। তবে আগামি বছরে নতুন কোনও নির্বাচন না থাকায় টিকিট পাওয়ার বিশেষ সম্ভাবনা নেই। ভবিষ্যতের কথা ভেবে রানির চেয়ার মোছা, গান শেখানো প্রভৃতি কাজে মন দেওয়া উচিত। এতে বাংলাদেশ বা অন্য বিদেশ সফরে সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। আগামিদিনে ন্যায্যসভায় যাওয়াও অসম্ভব নয়।
কুম্ভঃ অর্থাৎ কলসি। বছরের ৬ মাস এঁরা কুম্ভের ন্যায় কর্ণ নিয়ে ঘুমাবেন। বাকি ৬ মাস শূন্য কুম্ভের মতো বকবক করবেন। প্র.ক.ক. অর্থাৎ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য হিসাবে এঁরা খ্যাতি অর্জন করবেন। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দিন কাটালেও, টি ভির পর্দায় প্রচুর কথা বলার জন্য বিশিষ্ট নেতা হয়ে উঠবেন এবং নির্বাচনের টিকিট পাবেন। তবে নির্বাচনে জয়ী হবার সৌভাগ্য আগামী কয়েক বছরে হবে না। সুযোগ সুবিধা মতো দলবদল করলে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবার সম্ভাবনা।
মীনঃ অর্থাৎ মাছ। ইংরাজিতে ফিশ। ‘গভীর জলের ফিশ, আমি গভীর জলের ফিশ, পাবলিক তাই নাম দিয়েছে খোকা চারশো বিশ।‘ সিনেমার এই গানটি এদের ক্ষেত্রে যথোপযুক্ত হবে। দলবিহীন বুদ্ধিজীবী বা বিদ্রোহী বুদ্ধিজীবী হিসাবে এঁরা সুনাম অর্জন করবেন। এরা কখন কী ভাববেন, কখন কী করবেন, তা কেউ আগে থেকে ঠাহর করতে পারবেন না। কখনও এঁরা শাসককে নিয়ে প্যারডি গান বাঁধবেন, কখনও আবার তার সঙ্গে বাংলাদেশে যাবেন। কখনও স্বজনের হয়ে নাটক করবেন, কখনও ‘খেলব না’ বলে বেরিয়ে আসবেন। এই জাতকদের কোনও বছরেই ভালো বা খারাপ বলে কিছু হয় না। কারন এদের কাছে কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ সেটাই বোঝা যায় না।
পুনশ্চঃ লেখার শুরুতে যে জ্যোতিষীর কথা বলেছিলাম, আমার বউ সব জানতে পেরে তাকে আচ্ছা করে পেঁদিয়ে এসেছে। বউ আমাকে কথা দিয়েছে, এই বছরটা আমার সঙ্গে একটুও ঝগড়া করবে না। করলেও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মিতিয়ে নেবে। ছেলে বলেছে, ফের যদি জ্যোতিষীর কাছে যাই, আমাকে খুন করে প্রমাণ করবে আমিই তার বাবা। প্রমান করে দেবে জ্যোতিষ শাস্ত্র আগাগোড়া ভুলে ভরা।
আশা করি, আপনারাও প্রমাণ করে দেবেন রবি করের সব ভবিষ্যৎবাণী ভুলে ভরা। শুভেচ্ছা রইল, নতুন বছর ভালো কাটুক।


